ঝিনাইদহে দুই পুলিশ কর্মকর্তার হাতাহাতি!

16

ঝিনাইদহ অফিস:
দিনে-দুপুরে ঝিনাইদহে ট্রাফিক পুলিশের দুই কর্মকর্তার মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে তাঁদের ক্লোজড করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাঁরা হলেন এটিএসআই আলী হোসেন ও দিলীপ কুমার মজুমদার। গত সোমবার দুপুর ১২টার দিকে জেলা শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে পুলিশ বক্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় পোস্ট অফিস মোড়ে পুলিশ বক্সের সামনে কর্তব্য পালন করছিলেন সার্জেন্ট সাহারিয়ার, এটিএসআই আলমগীর, দিলীপ কুমার মজুমদার, কনস্টেবল লাতফাত এবং নিমাই চন্দ্র। হঠাৎ সেখানে আসেন এটিএসআই আলী হোসেন। তিনি পুলিশ বক্সে ঢুকেই দিলীপের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। উত্তপ্ত কথাবার্তার একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়। দুইজনের মধ্যে তখন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় পুলিশ বক্স থেকে বেরিয়ে আসেন তাঁরা দুইজনই। শুরু হয় আরেক দফায় হাতাহাতি। কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না তাঁদের। সিসিটিভি ক্যামেরায় মারামারির এ দৃশ্য ধরা পড়ে। শেষ পর্যন্ত উপস্থিত অন্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন সার্জেন্ট সাহারিয়ার।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, গোটা জেলা শহরের অপরাধ দমনে অতিসম্প্রতি শতাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা লাগান হয়েছে। ক্যামেরাগুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের পৃথকভাবে একটি আইসিটি কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। সূত্র মতে, ঘটনাটি যখন ঘটে, তখন পুলিশ সুপার নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন। তিনি নিজেও ভিডিও দেখেন। এরপরও জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার কর্মকর্তারা বিষয়টি তুলে ধরেন তাঁর কাছে। বেলা তিনটার দিকে পুলিশ লাইনসে ক্লোজড করা হয় মারামারির সঙ্গে জড়িত ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে।
জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক গৌরাঙ্গ পাল খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, ডিউটি ভাগ করা নিয়ে এই ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, ‘ভিডিও আমি নিজে দেখেছি। পুলিশ বিভাগের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়, এমন কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিকেলে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইনসে ক্লোজড করা হয়।