জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থিতা নির্বাচন নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের জরুরী বৈঠক

155

sdt

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগ এক জরুরী বৈঠক করেছে। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাননীয় হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি’র সভাপতিত্বে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের উপস্থিততে দীর্ঘক্ষন এই বৈঠক চলে। গত সোমবার ছিল প্রার্থীতার আবেদনপত্র জমাদানের শেষ দিন। এবিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন এই প্রতিবেদককে জানান, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাননীয় হুইপের সভাপতিত্বে আমরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে প্রার্থীতা নির্ধারণ বিষয়ে সার্বিক আলোচনা করেছি। এপর্যন্ত সাধারণ সদস্য পদে ৮০জন এবং ১৩জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে প্রার্থীতা পেতে আবেদন করেছে। আমরা সকল আবেদন কেন্দ্রে পাঠাব এবং সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের মনোয়নের জন্য অনুরোধ করবো। দলীয় মনোয়নের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সিদ্ধান্ত নিবেন। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে কে দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন এমন প্রশ্নে টোটন জোয়ার্দ্দার জানান, প্রার্থীতা চুড়ান্তের এখতিয়ার কেন্দ্রের। তবে জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যোগ্য প্রার্থী মনোনয়নে সুপারিশ ও অনুরোধ থাকবে।
উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ নির্বাচনে যারা দলীয় মনোনয়ন পেতে আগ্রহীরা হলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মনজু, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আজাদুল ইসলাম আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক হাবিল হোসেন জোয়ার্দ্দার, জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মাহবুব হোসেন মেহেদী, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শামসুল আবেদীন খোকন ও দামুড়হুদা হাউলী  ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল ইসলাম। আগামী ২৮ ডিসেম্বর দেশে প্রথমবারের মতো একযোগে ৬১ জেলা পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে গত রোববার তফশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ১ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ৩ ও ৪ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণের বিরুদ্ধে আপিল দাখিলের সময় ৫ থেকে ৭ ডিসেম্বর। আপিল নিষ্পত্তির সময়সীমা ৮থেকে ১০ডিসেম্বর। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১১ ডিসেম্বর। প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ ১২ ডিসেম্বর। ভোট গ্রহণ ২৮ ডিসেম্বর।