জনবান্ধব ই-নামজারীর ইউজার গাউড তৈরী করে আবারো আলোচনায় এসিল্যান্ড উসমান গনি

406

fdঝিনাইদহ অফিস: জনবান্ধব ই-নামজারী ব্যবহারের নির্দেশিকা (ইউজার গাউড) তৈরী করে আবারো আলোচনায় উঠে এসেছেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উসমান গনি। সহজে ব্যবহার করা যাবে তার নির্দেশিত ব্যবহার বিধিটি। শুধু ঝিনাইদহে নয়, সারা বাংলাদেশে এটুআই প্রজেক্টের মাধ্যমে তার উদ্ভাবিত জনবান্ধব ই-নামজারী ব্যবহারের নির্দেশিকা ব্যবহৃত হবে। সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকারের এটুআই প্রজেক্ট। ঝিনাইদহ সদরের এসিল্যান্ড উসমান গনি সাংবাদিকদের জানান, মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে তিনি দেড়মাস এর উপর কাজ করেছেন। এটুআই প্রজেক্ট থেকে করা ই-নামজারী ব্যবহারের নির্দেশিকাটি ছিল জটিল। তিনি এটিকে নিরলসভাবে পরিশ্রম করে সহজ করেছেন। তিনি জানান, ভুমি সংস্কার বোর্ডের অধীন সারা দেশে  ই-নামজারী একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে গ্রহন করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ঝিনাইদহ সদরসহ দেশের ৬টি উপজেলায় কাজ শুরু হবে। অন্যান্য উপজেলার মধ্যে রয়েছে চাটমোহর, সিরাজহঞ্জ সদর, পিরোজপুর সদর, সুনামগঞ্জ ও পঞ্চগড় সদর উপজেলা। আগামী ২৬ ডিসেম্বর ঝিনাইদহ থেকে এই পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন ভুমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যন ও সচিব মাহফজুর রহমান। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। জনবান্ধব ই-নামজারী ব্যবহারের ফলে জমির প্রকৃত মালিককে সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। এছাড়া ঘরে বসে মিউটেশনের আবেদন করা যাবে। সরকারী ফি পরিশোধ করা যাবে মোবাইলে। সাপোর্টিং কাগজপত্র সংযোজন করা যাবে। ই-নামজারী ব্যবহারের নির্দেশিকা সফলভাবে পুরণ করা হলে ব্যবহারকারী মোবাইলে ম্যাসেজ পাবেন। এমনকি ফাইল কোথায় যাচ্ছে সেটিও ঘরে বসে কৃষক বা জমির মালিক জানতে পারবেন বলে জানান, আইটি ও ডিজিটালের উপর বিশেষ পারদর্শী সহকারী কমিশনার (ভূমি) উসমান গনি। উল্লেখ্য যে তথ্য প্রযুক্তিতে অবদান আর সাধারণ মানুষের সেবা সহজে নিশ্চিত করার জন্য দেশ সেরা এসিল্যান্ড হিসেবে নির্বাচিত হন ঝিনাইদহের এসিল্যান্ড উসমান গনি। এর আগে তিনি অটোমেশন সিস্টেম চালুকরন, ওয়াই-ফাই জোন স্থাপন, মহিলাদারে জন্য নামাজের ঘর স্থাপন, দেড়লক্ষ আরএস এবং নামজারি পর্চা স্ক্যান করে সংরক্ষন ও ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থাপনা, ৫০ বছরের রেকর্ড সাল ওয়ারী সজ্জিত করণ ও রেকর্ড রুম সংরক্ষনসহ ২২টি সেবামুলক কাজ শেষ করেন তিনি।