ছাত্রদলের কাউন্সিলে আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা

25

সমীকরণ প্রতিবেদন:
ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিলের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন ঢাকার একটি আদালত। বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মাদ সাত্তার মোল্লা বলছেন, আদালতের এই নিষেধাজ্ঞা থাকায় আগামী শনিবার ছাত্রদলের যে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা, তা করা যাবে না। ছাত্রদলের কাউন্সিলের ওপর আদালতের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার। তিনি বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত চেয়ে আদালতে আবেদন করা হবে। ছাত্রদলের আগের কমিটিতে ধর্ম বিষয়ক সহসম্পাদক পদে ছিলেন আমান উল্লাহ। ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ঢাকার চতুর্থ সহকারী জজ আদালতে গতকাল বৃহস্পতিবার মামলা করেন আমান উল্লাহ। শুনানি নিয়ে আদালত ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিলের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন। একই সঙ্গে ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিল করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছেন। এ বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্য সাত দিনের সময় বেঁধে দিয়েছেন আদালত। বিএনপির মহাসচিবসহ ১০ জন বিএনপি নেতাকে জবাব দিতে বলা হয়।
আমান উল্লাহর আইনজীবী মোহাম্মদ সাত্তার মোল্লা গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী ছাত্রসংগঠনগুলো রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন হিসেবে বিবেচিত হওয়ার সুযোগ নেই। ২০১৭ সালে বিএনপি নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিল, ছাত্রদল তাদের অঙ্গসংগঠন নয়, সহযোগী সংগঠন। ছাত্রদল সহযোগী সংগঠন হওয়ায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের এখানে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপের আইনগত সুযোগ নেই, যা আদালতকে বলা হয়েছে। আদালত শুনানি নিয়ে আগামী শনিবার ছাত্রদলের যে ষষ্ঠ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা তার ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। ছাত্তার মোল্লা আরও বলেন, ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিল করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে তা জানতে চেয়েছেন আদালত। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীসহ বিএনপির ১০ জন নেতাকে জবাব দিতে বলেছেন আদালত।