চৈত্রের শুরুতেই তাপমাত্রা বৃদ্ধি : মাঝারি মাত্রার গরম

625

সমীকরণ ডেস্ক: চৈত্র মাসের শুরুতেই বেড়ে গেছে তাপমাত্রা বৃদ্ধির গতি। গত কয়েকদিনেই বেড়েছে ৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস। সারাদেশে অনুভূত হচ্ছে মাঝারি মাত্রার গরম। ব্যাহত হচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। ঘরে বাইরে সব খানেই বিরাজ করে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। মার্চে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। কালবৈশাখী বা বজ্র ঝড় হতে পারে। মার্চ মাসের শেষের দিকে বঙ্গোপসাগরে ১টি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। আর মাসের শেষের দিকে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি মৃদু ধরণের তাপ বয়ে যেতে পারে। দিনের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বেড়ে প্রায় স্বাভাবিক ৩৪ থেকে ৩৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে। তবে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চালে তাপমাত্রা ৩৭ থেকে ৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে।
আবহওয়া অধিদফতর জানায়, চলতি মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ঢাকা বিভাগে ৪৯ মিলিমিটার, চট্ট্রগামে ৬১ মিমি, সিলেটে ১২০ মিমি, রাজশাহীতে ২৫ মিমি, রংপুরে ১৯ মিমি, খুলনায় ৪৩ মিমি ও বরিশালে ৫৩ মিলিমিটার হতে পারে। সূত্রটি আরো জানায়, এপ্রিল মাসেও দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। ওই মাসে বঙ্গোপসাগরে ১-২ টি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এরমধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ওই মাসে দেশের উত্তর, উত্তরপূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ২-৩ দিন বজ্রসহ মাঝারী/ তীব্র কালবৈশাখী/ বজ্র-ঝড় ও দেশের অন্যত্র ৩-৪ দিন হালকা/মাঝারী কালবৈশাখী /বজ্রঝড় হতে পারে। দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং অন্যত্র ২-৩ টি মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এভাবে মে মাসেও দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। ওই মাসে বঙ্গোপসাগরে ১-২ টি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ওই মাসে দেশের উত্তর, উত্তরপূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ২-৩ দিন বজ্রসহ মাঝারী/ তীব্র কালবৈশাখী/বজ্র-ঝড় ও দেশের অন্যত্র ৩-৪ দিন হালকা/মাঝারী কালবৈশাখী /বজ্রঝড় হতে পারে। আর দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ২-৩ টি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং অন্যত্র ২-৩ টি মৃদু /মাঝারী তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, চৈত্রের প্রথম সপ্তাহ চলছে। দেশের অধিকাংশ জেলাতেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১ থেকে ২৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ থেকে ৩৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড হচ্ছে। অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে ঢাকার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও। গতকাল শনিবার ঢাকায় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তামপত্রা রেকর্ড হয় যথাক্রমে ৩১.৫ ও ২৩.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস। দেশে বৃষ্টিপাত নেই বললেই চলে। খাঁ খাঁ করছে দেশের মাঠ প্রান্তর। খাল-বিল, নদী-নালা ও জলাশয় ফের পানিশূন্য হয়ে পড়ছে। ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশিসহ নানা মৌসুমী জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ভাইরাসজনিত রোগের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।