চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ আউলিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ঔষধ প্রতিনিধির সাথে আড্ডা দেয়ায় রোগীর মৃত্যু : ফুঁসে উঠেছে জনতা!

368

DSC09592

শহর প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ইমারজেন্সীতে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আওয়ালিয়ার রহমান ঔষধ কোম্পানীর রিপ্রেজেন্টেটিভদের সাথে খোশগল্পে সময় পার করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোগীকে চিকিৎসা না দিয়ে ইমারজেন্সী রুমে রিপ্রেজেন্টেটিভদের সাথে গল্পে মেতে থাকে। রোগীর স্বজনেরা বার বার ডাকতে আসলে ডাক্তার আউলিয়ার তাদের কথায় কর্ণপাত না করে বরং তাদের বকা দেয় এবং চিকিৎসা সেবা দিতে অবহেলা করে। চিকিৎসায় অবহেলার কারণে গতকাল হাজিরা খাতুন নামের রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ডা: আউলিয়ার ও ওয়ার্ড সেবিকাদের চিকিৎসা অবহেলায় মারা যাওয়া হাজিরা খাতুনের জামায় ফরজ আলী সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, গতকাল দুপুরে হঠাৎ করে আমার শ্বাশুড়ির বুকে ব্যাথা উঠলে আমরা দ্রুত চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে দেখি ডা: আওলিয়ার রহমান ডিউটিরত অবস্থায় ঔষুধ প্রতিনিধির সাথে আড্ডায় মগ্ন। অনেকক্ষন অপেক্ষার পরে হাজিরা খাতুনকে ভর্তি করে রমেডিসিন ওয়ার্ডে পাঠান। পরে হঠাৎ করে সন্ধ্যার আগে হাজিরা খাতুনের অস্থির ও স্যালাইন হাত থেকে খুলে গেলে স্বজনরা সেবিকাদের বলেন ঠিক করে দিতে। এতে সেবিকারা উল্টো ধমক দিয়ে বলেন, আমাদের যখন সময় হবে তখন আমরা দেখব এরপর জরুরী বিভাগ থেকে ডা: আওলিয়ার রহমানকে জানালে অনেকক্ষন পরে ওয়ার্ডে আসলে রোগীকে মৃত ঘোষনা করলে রোগীর স্বজনরা ডাক্তার আওলিয়ার রহমান ও সেবিকাদের চিকিৎসায় অবহেলার কারনেই মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। রোগীর আরো স্বজনরা বলেন, হাজিরা খাতুন যখন বুকের ব্যাথায় অস্থিরতা করছিল তখন আমরা কয়েকবার সেবিকা ও ডাক্তারের ডাকার পরেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। হাজিরা খাতুন চুয়াডাঙ্গা নতুন ভান্ডারদোহা মসজিদ পাড়ার আনছার আলীর স্ত্রী। হাসপাতাল এলাকাবাসীসহ সাধারণ জনতা ডাক্তার আওয়ালিয়ার রহমান ও ওয়ার্ডের সেবিকাদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে বলেও জানা গেছে। চুয়াডাঙ্গার সুযোগ্য সিভিল সার্জন ডা. ছিদ্দিকুর রহমানকে এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ারও অনুরোধ করেছে সচেতন মহল।