চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ নির্বাচনের মাঠে ব্যস্ত প্রার্থীরা : প্রতীক বরাদ্দ ১২ ডিসেম্বর মনজু-খোকনের মধ্যে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি

215

index

হুসাইন মালিক: আগামী ২৮ ডিসেম্বর সারাদেশের ৬১ জেলা পরিষদে অনুষ্ঠিত হবে চেয়ারম্যান ও সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে নির্বাচন। গত ১ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিলো মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন। ৩ ও ৪ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই এবং ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিলো মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়াদের আপিলের শেষ দিন। এছাড়া ১১ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ও ১২ ডিসেম্বর সকল প্রার্থীর নিজেদের প্রতীক বরাদ্দ। অথচ চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের আগেই জমে উঠেছে। সাবেক প্রশাসক ও দামুড়হুদা উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মনজু, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সামসুল আবেদীন খোকন, সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মামুন উর রশিদ আঙ্গুর ও জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি এ্যাড. সোহরাব উদ্দীন চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দিতা করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেন এবং যাচাই-বাছাই শেষে ৪জন প্রার্থী এখন নিজেদের প্রতীকের অপক্ষোয় আছেন। প্রতীক বরাদ্দ হবে আগামী ১২ ডিসেম্বর। প্রত্যোক প্রার্থী ইতোমধ্যে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী আ.লীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থী মনজু ও স্বতন্ত্রের আদলে বিদ্রোহীপ্রার্থী খোকনের মধ্যেই হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এদিকে সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দের আগেই ছুটছেন ভোটারদের দোয়ারে দোয়ারে। তবে এখনো পর্যন্ত চেয়ারম্যান এবং সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদের কোন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের কোন খবর পাওয়া যায়নি। সহকারী রির্টানিং অফিসার আনিচুর রহমান জানান, এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৪ ও সাধারণ সদস্য পদে ৫৮ এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ২৩সহ সর্বমোট ৮৫ জন প্রর্থী অংশগ্রহন করবেন। তবে, ১ং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদের প্রার্থী আব্দুল মতিন ও ৯ নং ওয়ার্ডের মামুনুর রশিদের মনোনয়নপত্র অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় তারা এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। ১২ ডিসেম্বর প্রতীক পেলেই এই নির্বাচনে যোগ হবে নতুন আমেজ।