চুয়াডাঙ্গা জান্নাতুল মওলা কবরস্থান সংলগ্ন মসজিদের মুসল্লীদের বিরোধ : ঈমামের পিছনে নামাজ পড়া নিয়ে বিতর্ক : ৩ জনের পদত্যাগ

281

নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী  জান্নাতুল মওলা কবরস্থান মসজিদের  ঈমামের পিছনে নামাজ পড়া নিয়ে মুসল্লিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র  বিরোধ। তার পিছনে নামাজ আদায় করলে মাকরুহে তাহরীমী হবে বলে কয়েকজন মুফতি ও ঈমাম ফতোয়া দিয়েছে। এ ঘটনায় মসজিদের ঈমাম হাফেজ হারুন-অর- রশিদসহ ৩ জনকে  উকিল নোটিশ দিয়েছেন গালিব হাসান হ্দৃয়। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে  মসজিদ পরিচালনা পর্যদ থেকে ৩ জন সদস্য পদত্যাগ করেছেন। চুয়াডাঙ্গা শহরের কলেজ রোডে  ঐতিহ্যবাহী  জান্নাতুল মওলা কবরস্থান মসজিদ। দ্বিতল এ মসজিদে ঈমাম হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন ডিঙ্গেদহের  হাফেজ হারুন-অর- রশিদ। তিনি ৩ বছর সুনামের সহিত ঈমামের দায়িত্ব পালন করছেন। এরই মাঝে  তিনি চুয়াডাঙ্গা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক হিসাবে যোগ দেন। তার পরই  বাধে বিপত্তি। মসজিদের বেশ কিছু মুসল্লী এই ঈমামের পিছনে নামাজ হবে না বলে, তার পিছনে নামাজ পড়া থেকে বিরত রয়েছেন। মুসল্লীরা যুক্ত দেখাচ্ছেন যেহেতু এই ঈমাম পর্দা ছাড়া  যুবতী মেয়েদের শিক্ষা দান করছেন। মসজিদ কমিটি থেকে পদত্যাগকারী এ্যাড. মনিবুল হাসান পলাশ বলেন, আমরা ঈমামের ব্যাপারে জানতে কয়েকজন মুফতির সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেছেন এইরুপ ঈমামের পিছনে নামাজ আদায় করলে মাকরুহে তাহরীমী হবে বলে। বিষয়টি অনুধাবন করে ২ ফেব্রুয়ারী/১৭ তারিখে  এলাকার ৫১ জন মুসল্লী ঈমামকে অপসারনের জন্য মসজিদ কমিটির কাছে লিখিত আবেদন করি। কিন্তু কমিটি কোনভাবেই তা আমলে নিচ্ছেনা । এরপরই মসিজদ কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন হাজী আ: হান্নান মালিথা, হাজী হানিফ উদ্দিন ও  এ্যাড. মনিবুল হাসান পলাশ। এব্যাপারে মসজিদের ঈমাম হাফেজ হারুন-অর- রশিদ বলেন, ব্যাক্তিগত আক্রোশে দুই এক  জন ব্যাক্তি আমার বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র করছে।  তিনি বলেন বেশিরভাগ মসজিদের ঈমাম কোন না  কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত রয়েছে। তাছাড়া তারা যে ফতোয়া দিচ্ছে তার কোন ভিত্তি নেই।