চুয়াডাঙ্গা কলেজ ক্যান্টিনের আকবরকে আর্থিক অনুদান প্রদান

22

সমীকরণ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা কলেজের মধুর ক্যান্টিনখ্যাত আকবরের ক্যান্টিন ও আকবরকে চেনেন না ৯০-এর দশক পর্যন্ত কলেজে অধ্যয়ন করেছেন এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। সেই আকবর এখন রোগে শোকে কাতর। চুয়াডাঙ্গা কলেজ রোডের জনস্বাস্থ্য দপ্তরের সম্মুখস্থ ফুটপাতে চা বিক্রি করে কোনোরকম জীবিকা নির্বাহ করছিলেন। কলেজের প্রাক্তন ছাত্র ঢাকা প্রবাসী ব্যবসায়ী অলোক চৌধুরী গত ঈদে চুয়াডাঙ্গায় এসে আকবরের বর্তমান হাল দেখে ব্যথিত হয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস পোস্ট করেন এবং আব্দুস শুকুর বাঙালী, আব্দুল মজিদ জিল্লু, হাফিজুর রহমান, প্রকৌশলী মশিউর রহমান জালাল, মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন, অ্যাড. শিল্পী জোয়ার্দ্দার, খাজা নাসিরুদ্দিন শান্তিকে নিয়ে ম্যাসেঞ্জার গ্রুপ খুলে ক্যাম্পেইন শুরু করেন। এ উদ্যোগে সাড়া দেন ঢাকাসহ সারা দেশ এবং দেশের বাইরে অবস্থানরত চুয়াডাঙ্গা কলেজের প্রাক্তন ছাত্ররা। এরই ধারাবাহিকতায় মোট ৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা সংগ্রহ হয় এবং আকবরের নামে ৩ লাখ টাকার পারিবারিক সঞ্চয়পত্র ক্রয়, আকবরের ভিটেয় একটি দোকান ঘর নির্মাণ এবং বাকি টাকা ব্যবসার পুঁজি হিসেবে গতকাল বিকেল সাড়ে তিনটায় আকবরের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে তাঁকে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক হিসাবের কাগজপত্র তুলে দেন। আব্দুস শুকুর বাঙালীর সভাপতিত্বে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মাধ্যমে আকবরের হাতে আ. শুকুর বাঙালী, আব্দুল মজিদ জিল্লু, মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন, জে. অলোক চৌধুরী, অ্যাড. শিল্পী জোয়ার্দ্দার, রফিকুল আলম পিণ্টু, প্রকৌশলী মশিউর রহমান জালাল, খাজা নাসিরুদ্দিন শান্তি, অ্যাড. ওয়াহেদুজ্জামান বুলা, কবি অমিতাভ মীর, গোলাম কবীর মুকুল, মো. নাজিম উদ্দীন, আবুল কাশেম, আবু বকর সিদ্দিক, বাবুল শেখ, ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার মো. আবুল হোসেন প্রমুখ।