চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

13

তীব্র শীত আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় জনজীবনে স্থবিরতা
সমীকরণ প্রতিবেদক:
তীব্র শীত আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার জনজীবন। স্থবিরতা দেখা দিয়েছে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক কাজকর্মে। চুয়াডাঙ্গায় গতকাল সকাল ছয়টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বেলা তিনটায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিকেল থেকে সকাল ১০-১১টা পর্যন্ত আবহাওয়া পরিস্কার থাকলেও কনকনে শীতে খেটে খাওয়া মানুষসহ প্রাণীকুলের নেমে এসেছে কষ্ট। তবে সব থেকে বেশি কষ্টে পোহাচ্ছে খেটে থাওয়া মানুষ। এ ক্ষেত্রে যানবাহন, কৃষিখেত ও কলকারখানায় যাঁরা কাজ করেন, তাঁরা বিপদে আছেন। নিতান্ত বাধ্য হয়েই রুটি-রুজির তাগিদে বাইরে যেতে হচ্ছে তাঁদের। কনকনে শীতে জেলার হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, জ্বর, পেটের পিড়াসহ শাষকষ্ট রোগের রোগী বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, দিনে ও রাতের বেলায় তাপমাত্রা কম থাকায় জনজীবনে বেশি বেশি শীত অনুুভূত হচ্ছে। একারণে শিশুসহ সব বয়সের রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামীম কবির বলেন, ‘শীতের কারণে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ডায়রিয়া রোগীদের সব প্রকার ওষুধ সরবরাহ আছে, তবে লোকোবল কম থাকায় রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা দিতে চিকিৎসক ও সেবিকাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরেও চাপ থাকা সত্বেও স্বাস্থ্যসেবা দিতে দিয়ে যাচ্ছি।’