চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্সে জেলা ও দায়রা জজ রবিউল ইসলাম

261

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় একা বিচারকের পক্ষে সম্ভব নয়
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বেলা ১০ টার সময় জেলা জজ আদালত ভবনের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এমএ হামিদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ মোহা. রবিউল ইসলাম।
কনফারেন্সে জেলা পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান, বিজিবি-৬’র উপ-পরিচালক মেজর লুৎফুল কবীর, সিভিল সার্জন ডা. খায়রুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) তরিকুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিব্বির আহমেদ, সহকারি জজ (সদর) সাজেদুর রহমান, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুস্তাফিজুর রহমান, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি নুরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আসম আব্দুর রউফ, জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মোহা. শামসুজ্জোহা, স্পেশাল পিপি আব্দুল মালেক, জেলা সুপার নজরুল ইসলাম, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন খান, আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান, দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুকুমার বিশ্বাস, জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান, ওসি (ডিবি) এনামুল হক, ট্রাফিক পুলিশ ইনচার্জ মাহবুব কবীর, কোর্টমালখানা সিএসআই এসআই আমিনুল ইসলাম, সিআইডি পুলিশ পরিদর্শক ময়েন উদ্দিন বিশ্বাস, সমাজসেবা প্রবেশন অফিসার বশির আহমেদ, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা নাজমুল হক, নাজির ওসমান গনি আদালত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কনফারেন্সে ১১টি বিষয়ের ওপর আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। এর মধ্যে সমন জারি, গ্রেপ্তারী, হুলিয়া ও ক্রোকি পরোয়ানা তামিল, পুলিশ কর্তৃক মামলার সাক্ষীর উপস্থিতকরণ, ইনকোয়ারী বা ইনভেস্টিগেশনের প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ, সময়মত মেডিকেল সনদপত্র, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, ফরেনসিক ও ভিসেরা রিপোর্ট প্রাপ্তি, মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য গৃহীত পদক্ষেপসমূহ, মামলার জব্দকৃত আলামতের নিষ্পত্তি, ধ্বংশের ব্যবস্থা ও নিলাম বিক্রয়, পারিবারিক মামলার গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল এবং পুলিশ ও ম্যাজিস্টেসির মধ্যে সমন্বয় সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা ও দায়রা জজ রবিউল ইসলাম বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় একা বিচারকের পক্ষে সম্ভব নয়। পুলিশ, আইনজীবী, বাদী ও সাক্ষীদেরকে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করতে হবে। কেউ যেনো মামলায় অহেতুক হয়রানির শিকার না হয় সে দিকে পুলিশকে সজাগ থাকত হবে।