চুয়াডাঙ্গায় তাবলীগ জামায়াতের জেলা ভিত্তিক বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন প্রশাসনের নিছিদ্র নিরাপত্তা বলয় : আজ আমবয়ানের মধ্যদিয়ে শুরু হবে ইজতেমার কার্যক্রম সার্বক্ষনিক চিকিৎসার জন্য ভ্রাম্যমান মেডিকেল টিম ও এ্যাম্বুলেন্স রাখার অনুরোধ সাধারণ মুসল্লীদের

352
Exif_JPEG_420

15095088_355214038167142_4813577758771792527_nনিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। আজ বাদ আছর আম বয়ানের মধ্যদিয়ে শুরু হবে ইজতেমার কার্যক্রম। শহরের সরকারী মহিলা কলেজপাড়া ও সবুজপাড়ার মাঠ সংলগ্ন ১৫০ একর জমির ওপর তাবলীগ জামায়াতের জেলা ভিত্তিক এই বিশ্ব ইজতেমা ময়দান সম্পূর্ণরুপে প্রস্তুত। নিছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরী করেছে পুলিশ প্রশাসন। গতকাল ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন পুলিশ লাইনে ইজতেমা মাঠের নিরাপত্তার বিষয়ে বিফ্রিং দেন। এসময় সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ছূফী উল্লাহ, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোজাম্মেল হকসহ প্রায় ৯০০ পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। পৌর মেয়র ওবাইদুর রহমান চৌধূরী জিপু জানান, ৪৬০টি ল্যাট্রিন, ৭টি পানির হাউজ, ১৭টি টিউবওয়েল, ১৩০টি মাইক, ৩টি পর্যবেক্ষন কেন্দ্র, ময়দানজুড়ে ৩২টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপার ছূফী উল্লাহ জানান, ১৫০ একর বা ৪লাখ বর্গফুট ইজতেমার মাঠকে ৮টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে এবং ৩টি সিসি ক্যামেরার কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া পুরো মাঠে ১৮টি পয়েন্টে সার্বক্ষনিক ৪সদস্যের পুলিশি টিম, সাদা পোষাকে ও ভ্রাম্যমান টিমসহ

Exif_JPEG_420

৩স্তরের পুলিশি নিরাপত্তা বলয় তৈরী করা হয়েছে। এছাড়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষনিক ৫জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এই টিমগুলোর নেতৃত্ব দিবেন। ইজতেমায় চুয়াডাঙ্গা ছাড়াও পাশ্ববর্তী মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, সাতক্ষীরা, নড়াইল ও খুলনাসহ বিভিন্ন এলাকার লক্ষাধিক মুসল্লী অংশ গ্রহন করবে বলে আয়োজক কমিটি জানিয়েছে। উল্লেখ্য, আজ ২৪ নভেম্বর বাদ আছর আম বয়ানের মধ্যদিয়ে শুরু হয়ে ২৬ নভেম্বর আখেরী মোনাজাতের মধ্যদিয়ে এই ইজতেমার কার্যক্রম শেষ হবে।
অপরদিকে, রাত প্রায় দেড়টার দিকে অফিস থেকে বেরিয়ে গেলাম ইজতেমার মাঠের সার্বিক অবস্থা দেখতে। ইজতেমার মূল ফটকে দৈনিক সময়ের সমীকরণের সম্পাদক ও প্রকাশক শরীফুজ্জামান শরীফের সৌজন্যে মুসল্লীদের উৎসাহিত করতে একটি বড় গেট প্রথমেই চোখে। আরেকটু এগিয়ে দেখলাম কয়েকজন পুলিশ দাড়িয়ে নিজেদের মধ্যে গল্পে ব্যস্ত আমাকে দেখে বললো ভাই মোটরসাইকেল রখে হেটে যান আমি কথা না বাড়িয়ে বাইক রেখে জীবনকে সাথে নিয়ে হাটা শুরু করলাম পুরো মাঠটি দেখতে। একটু এগিয়ে

Exif_JPEG_420

পুলিশের আরেকটি টিম আমাকে চেক করলো পরিচয় দিলাম পুলিশ বললো ভাই যান। যাহোক মাঠ ঘুরে দেখলাম মনে হল আয়োজনের সামান্য ঘাটতি রাখেননি আয়োজক কমিটি। আর নিরাপত্তা বলয় দেখে মনে মনে পুলিশকে অশেষ ধন্যবাদ দিলাম। চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ইজতেমা পরিচালিত হবে জেনে পৌর মেয়রকে সাধুবাদ দিতেই হয়। প্রায় খিত্তায় মুসল্লীদের আগমন ঘটেছে অনেকে গভীর ঘুমে অচেতন আবার অনেকে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ছেন। আবার মনে হলো জান্নাতি পরিবেশে প্রবেশ করেছি। পুরো মাঠে আয়োজনে কেউ ঘাটতি রাখেনি কিন্ত চিকিৎসা সেবার যে বড় ঘাটতি রয়েছে সেটা কারোর চোখ এড়াবে বলে আমার মনে হয় না। তিনদিন ব্যাপী ইজতেমায় কয়েকটি ভ্রাম্যমান মেডিকেল টিম, অ্যাম্বুলেন্সের সার্বক্ষনিক সুবিধা প্রদান করার জন্য সাংবাদিক নয় একজন সাধারণ মুসল্লী হিসেবে অনুরোধ থাকবে সংশ্লিষ্টদের প্রতি।