চুয়াডাঙ্গায় ঘরবন্দী ২৯৭ জন

24

নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় বিদেশ ফেরত ২৯৭ জন প্রবাসীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিদেশ ফেরত প্রবাসীর সংখ্যা বেড়েছে আরও ১৪ জন। চুয়াডাঙ্গার চারটি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে তাদেরকে নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে। এদের মধ্যে ভারত, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, ইতালি, কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশে ফিরেছে। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা প্রবাসীদের মধ্যে রয়েছেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ৬৬ জন, জীবননগর উপজেলার ৯৫ জন, আলমডাঙ্গা উপজেলার ৭৩ জন ও দামুড়হুদা উপজেলার ৬২জন। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন একজন। তাছাড়া ১৪ দিন অতিবাহিত হওয়ায়, কেনো প্রকার সিনট্রম না পওয়ায় আরও ২১ জনকে হোম কোয়ারেন্টইন থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে। এই ২১ জন দিয়ে চুয়াডাঙ্গায় মোট ৫৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টইন থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে।
এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের নিকট গত তিন মাসে প্রবাস থেকে ফিরে আসাদের একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তালিকাটিতে চুয়াডাঙ্গা জেলার চার উপজেলার ৭ হাজার ৭ শ ৯০ জনের নাম আছে। এ তালিকা অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাজ করা হচ্ছে। তাঁদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার জানান, হোম কোয়ারেন্ট মানা হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে সার্বক্ষনিক মনিটরিং করা হচ্ছে। যারা বিদেশ ফেরত তাদেরকে কোন ভাবেই সহজ ভাবে নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। বিদেশ ফেরত সবাইকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন মেনে চলতেই হবে। না মানলে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল )আইন ২০১৮ অনুযায়ী এবং দ-বিধি অনুযায়ী তাদের জেল-জরিমানা উভয় দ- হতে পারে।
করোনা সংক্রান্ত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকলের সহযোগিতা কামনা করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিয়ম মেনে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন থাকা খুব একটা কষ্টের কাজ নয়। কিন্তু যদি কারো করোনা হয়ে থাকে, আর সেটা যদি ছড়িয়ে যায়, তাহলে অনেক বড় ধরনের সমস্যা হবে। তাই সহযোগীতাপূর্ণ মনোভাব নিয়ে হোম কোয়ারেন্টাইন পালন করলে এ সমস্যা থেকে বাঁচা যাবে। যদি কেউ কোয়ারেন্টাইন না মানে তাহলে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হবে।