চুয়াডাঙ্গায় অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তার করোনা শনাক্ত

159

সংক্রমিত ব্যক্তি নিয়মিত অফিস করায় সামাজিক সংক্রমনের আশঙ্কা!

নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা শহরের ফেরীঘাট রোডে অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংকের মেইন ব্রাঞ্চের এক সিনিয়র অফিসার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গতকাল বুধবার তাঁর নমুনার ফলাফল পজিটিভি আসে। গতকাল কুষ্টিয়া ল্যাব থেকে চুয়াডাঙ্গায় যে ১৩ জনের করোনা টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে, এরমধ্যে এই ব্যাংকারও রয়েছেন। অথচ করোনার উপসর্গ নিয়ে ওই ব্যাংক কর্মকর্তা নিয়মিত অফিস করেছেন। নমুনা কুষ্টিয়া ল্যাবে পাঠানোর পরেও ওই ব্যাংক কর্মকর্তার নিয়মিত অফিস করাটা এখন শঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই বলছেন, শরীর থেকে নমুনা পিসিআর ল্যাবে পাঠানোর পর ওই কর্মকর্তার উচিৎ ছিল হোম কোয়ারিন্টনে থাকা। এমনকি অগ্রণী ব্যাংকের এই ব্রাঞ্চের ম্যানেজারের উচিত ছিল ওই কর্মকর্তাকে ছুটি দিয়ে তাঁর হোম কোয়ারিন্টন নিশ্চিত করা। করোনা আক্রান্ত ওই ব্যাংক কর্মকর্তা এবং ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের এই দায়িত্বহীনতার কারণে যদি এখন সামাজিক সংক্রমণ বাড়ে তার দ্বায়িত্ব কে নেবে? এ প্রশ্ন এখন সাধারণ গ্রাহকদের মুখে মুখে।
করোনা আক্রান্ত ওই ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, গত ৬ জুলাই থেকে করোনার মৃদু উপসর্গ হালকা জ্বর ও সর্দিতে ভুগছেন তিনি। তাঁর জ্বরের মাত্রা তীব্র না হওয়ায় গতকাল ১৫ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন তিনি নিয়মিত অফিসও করেছেন। এরমধ্যে করোনা টেস্টের জন্য গত ১৩ জুলাই তিনি নমুনা দেন এবং ১৫ জুলাই প্রাপ্ত রিপোর্ট থেকে নিশ্চিত হন তিনি করোনা আক্রান্ত।
এ বিষয়ে অগ্রণী ব্যাংকের চুয়াডাঙ্গা মেইন শাখার বেশ কয়েকজন গ্রাহক ক্ষোভের সঙ্গে জানান, ‘ওই কর্মকর্তা গত ৭-৮ দিন যাবৎ করোনার উপসর্গ সর্দি-জ্বরে ভুগছিলেন। তা সত্ত্বেও করোনা শনাক্ত রিপোর্টে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি নিয়মিত অফিস করেছেন। এটি একেবারেই ঠিক হয়নি। তাঁর এই অসচেতনতা ও ম্যানেজারের দায়িত্বজ্ঞানহীনতায় সামাজিক সংক্রমণ বাড়বে।’ এসময় গ্রাহকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।