চুয়াডাঙ্গাা কুতুবপুরে ডাকাতির ঘটনায় রাশেদুলসহ আটক ৭

148

নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৪ বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় একই এলাকার রাশেদুলকে আটকের পর আদালতে জবানবন্দি রেকর্ড নেয়া হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুতুবপুরসহ আশপাশের এলাকা থেকে আরো ৬ জনকে আটক করেছে সদর থানা পুলিশ। গত সোমবার দিবাগত রাতে নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার হয় রাশেদুল। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক এলাকা থেকে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে আটক করা হয় অপর ৬ জনকে। আজ এদের সকলকে ডাকাতি মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হতে পারে বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সহায়তায় উক্ত মামলার তদন্তকারি কর্মকর্ত সরদ থানার এসআই ভবতোষ রায় গত সোমবার দিবাগত রাতে কুতুবপুর এলাকার কালো ফকিরের ছেলে রাশেদুলকে তার নিজ এলাকা থেকে আটক করে। এসময় সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে চাইলে গতকাল সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়। জবানবন্দি রেকর্ড পূর্বক তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বিকাল থেকে চুয়াডাঙ্গা থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপর ৬ জনকে আটক করে অভিযানকারি দল। একই মামলায় এ পর্যন্ত মোট ১০ জনকে আটক করতে সক্ষম হলো থানা পুলিশ।
আটককৃতরা হল- কুতুবপুর এলাকার মতিয়ার রহমানের ছেলে জাহেদ সর্দার (২৪), মাসুদুল বিশ্বাসের ছেলে টুটুল (২৩), রামজেদ মন্ডলের ছেলে গোলাম মস্তোফা (৫০), মর্তুজাপুর গ্রামের আয়ুব মন্ডলের ছেলে ইউনুছ আলী (৩৭), এছাড়াও শিবপুর গ্রামের মৃত আমির আলী মন্ডলের ছেলে জাহাঙ্গীর মন্ডল (৩০) ও একই এলাকার মৃত জব্বার মন্ডলের ছেলে ঝন্টু মন্ডল (৩৯)। পরে আটককৃতদের একই মামলায় আটক দেখিয়ে সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। আজ তাদেরকে আদালতে প্রেরণসহ পুনরায় রিমান্ডের আবেদন করা হতে পারে বলে জানায় পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত ৮ তারিখ রবিবার দিবাগত রাত ১২টার পর ১৩-১৪ জনের অস্ত্রধারী ডাকাত দল কুতুবপুর গ্রামে দক্ষিণপাড়ায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৪ বাড়িতে ডাকাতি করে প্রায় তিন লাখ টাকার মালামাল লুট করে গ্রামের মেঠো পথ ধরে পালিয়ে যায়। পরে ডাকাতির স্বীকার পরিবার গুলোর চিৎকারে আশ পাশের লোকজনসহ সিন্দুরিয়া ও কতুবপুর ক্যাম্প পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে কাওকে আটক করেতে না পারলেও ঘটনার দু’দিন পর মোবাইল ফোনের লোকেশন দেখে তিন সন্দেহভাজনকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে সদর থানা পুলিশ। পরে সেই একই মামলায় গোপন সংবাদের মারফত গত সোমবার দিবাগত রাতে একই এলাকা থেকে রাশেদুলকে আটক করলে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর ৬ জনকে আটক করা হয়। উক্ত মামলায় এ পর্যন্ত মোট ১০ জনকে আটক করতে সক্ষম হলো সদর থানা পুলিশ।