চুয়াডাঙ্গাসহ আশপাশ এলাকায় আবারও বৃষ্টি : স্বস্তি

69

বিশেষ প্রতিবেদক:
কয়েকদিনের তীব্র তাপমাত্রার পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে গত দু’দিনের বৃষ্টিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরে পেলো চুয়াডাঙ্গাসহ আশপাশ এলাকার মানুষ। মঙ্গলবার সারাদিন প্রখর রোদ্রের সঙ্গে তীব্র তাপদাহের পর সন্ধ্যায় আকাশে কালে মেঘে ঢেকে ফেলার পর পরই নেমে আসে বৃষ্টি। এতে জনজীবনে বয়ে যায় স্বস্তির পরশ। এরআগে গত এক সপ্তাহ ধরে চুয়াডাঙ্গাসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বয়ে যায় মৃদু তাপপ্রবাহ এবং গরম হাওয়া। এরমধ্যে সিয়াম সাধনার মাস রমজানে আগুন ঝরা রোদে হাঁপিয়ে ওঠে রোজাদাররাসহ কর্মজীবী মানুষ। ঝাঁজালো রোদ আর তীব্র খরতাপে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে। গরমের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে বিদ্যুতের আসা যাওয়া। মানুষের এ দুর্বিসহ পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পেতে একমাত্র ভরসাই ছিলো আল্লাহর রহমতের বৃষ্টি। অন্যদিনের মতো গতকাল মঙ্গলবারও চুয়াডাঙ্গায় সূর্যের প্রখর খরতাপ তীব্র ছিলো। দুপুরের দিকে রাস্তায় বেরানো দায় হয়ে পড়ে মানুষের। বিকেলের আবহাওয়া কিছুটা পরিবর্তন হতে থাকে। সন্ধ্যার পর পশ্চিম আকাশে মেঘের উপস্থিতি দাবদাহে অতিষ্ট মানুষের মাঝে কিছুটা আশা জাগিয়ে তোলে। এরপর দমকা বাতাসের সঙ্গে রিমঝিম বৃষ্টি পড়তে শুরু করে। পরে সেটি মুষলধারায় পরিণত হয়। প্রায় এক ঘন্টার বৃষ্টির পানিতে সয়লাব হয়ে যায় শহরের রাস্তা-ঘাট, ডোবা-নালা ও নিচু এলাকা। অনেকে বৃষ্টির কারণে শহরের বিভিন্ন দোকান-পাটে অবস্থান নেয়। তবে ভারী বৃষ্টিপাত হলেও বাতাসের তীব্রতা তেমন একটা ছিলো না।
আবহাওয়া অফিস বলছে, সাগরে লঘুচাপের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টিপাত হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে একঘন্টায় চুয়াডাঙ্গার রেইন ঠান্ডারে ৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বাতাসের গতিবেগ ছিল ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত। আজ বুধবারও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হলে গরম কমার সম্ভাবনা কম।