চুয়াডাঙ্গার মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের স্বপ্নভঙ্গের উপক্রম

20

সমীকরণ প্রতিবেদন:
স্বপ্নভঙ্গ হতে বসেছে চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত স্বেচ্ছাসেবক মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের। করোনা মোকাবিলায় সম্মুখযোদ্ধা চিকিৎসকদের কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করেও বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা। কর্মরতদের অনেকের স্বপ্ন ছিল ঝুঁকিপূর্ণ এ কাজে আত্মনিয়োগ করলে সরকারিভাবেই তাঁরা স্বীকৃতি পাবেন। কিন্তু সে স্বপ্ন এখন ভেঙে যেতে বসেছে। সম্প্রতি সরকারিভাবে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগের ক্ষেত্রে চুয়াডাঙ্গার কোনো স্বেচ্ছাসেবকই এতে স্থান পাননি। এতে তাঁদের মধ্যে চাপা অসন্তোষ দেখা গেছে। করোনা সংক্রমণের শুরুর দিকে করোনা মোকাবিলার জন্য সারা দেশের মেডিকেল টেকনোজিস্টদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয় সরকারিভাবে। সে সময় চুয়াডাঙ্গার অনেক যুবক-যুবতী স্বেচ্ছাসেবক মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে নিজেদের নাম লেখান। তাঁদের মধ্যে আবার অনেকেই স্বপ্ন দেখেন ভবিষ্যতে এ পদে নিয়োগ পাওয়ার। কিন্তু সম্প্রতি সারা দেশে এ পদে যে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাতে চুয়াডাঙ্গার দুই যুবক সুযোগ পেয়েছেন। তবে স্বেচ্ছাসেবক মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে অনেকের অভিমত, তাঁদের মধ্যে থেকে কেউ নিয়োগ পেলে তাঁরা খুশি হতেন। নিয়োগপ্রাপ্তরা কেউই স্বেচ্ছাসেবক ছিলেন না।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের করোনা স্যাম্পল সংগ্রহ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, স্বেচ্ছাসেবক মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে জাহানারা খাতুন, সাজেদুর রহমান ও হাসানুজ্জামান নামে তিনজন দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁরা গত ১৪ এপ্রিল থেকে এ দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) আমজাদুল ইসলাম বলেন, ‘কিছুদিন পূর্বে সরকারিভাবে কর্মরত স্বেচ্ছাসেবক মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের নামের তালিকা চাওয়া হয়েছিল। আমাদের এখানে ১৬ জন স্বেচ্ছসেবক তালিকাভূক্ত আছেন। আমরা তাঁদের নামের তালিকা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছিলাম। তাঁরা নিয়মিতই তাঁদের দায়িত্ব পালন করছেন।’