চুয়াডাঙ্গার প্রদীপন বিদ্যাপীঠের পরিচালনা পরিষদের নির্বাচন সম্পন্œ : সহ-সভাপতি সহ সমন্বিত শিক্ষা উন্নয়ন পরিষদের ৩জন ও অভিভাবক ঐক্য পরিষদের ৩ সদস্য নির্বাচিত

486

নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহি প্রদীপন বিদ্যাপীঠের পরিচালনা পরিষদের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্œ হয়েছে। নির্বাচনে সহ-সভাপতি সহ সমন্বিত শিক্ষা উন্নয়ন পরিষদের ৩জন ও অভিভাবক ঐক্য পরিষদ প্যানেলের ৩ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। গতকাল বুধবার এ নির্বাচনে দুটি প্যানেলের ১১ জন সদস্য ৬টি পদের বিপরীতে ভোট যুদ্ধে নামে। সকাল ৮ থেকে ভোট গ্রহন শুরু হয়ে দুপুর ২টায় শেষ হয়। ভোট গননা শেষে ঘোষিত ফলাফলে সহ-সভাপতি পদে সমন্বিত শিক্ষা উন্নয়ন পরিষদের আমজাদুল ইসলাম আনারস প্রতীক নিয়ে ৩২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি অভিভাবক ঐক্য পরিষদের সাংবাদিক বিপুল আশরাফ ছাতা প্রতীক নিয়ে ২০৮ ভোট পান।
এছাড়া সদস্য পদে ছাত্রনেতা শাহাজান খান (সমন্বিত শিক্ষা উন্নয়ন পরিষদ) বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে ৩৭৭ ভোট, রোমানা আক্তার (অভিভাবক ঐক্য পরিষদ) আম প্রতীকে ৩৪৪ ভোট, রিপন আলী (অভিভাবক ঐক্য পরিষদ) কাপ-পিরিচ প্রতীকে ২৭৯ ভোট, মুস্তাক আহমেদ (অভিভাবক ঐক্য পরিষদ) টিউবয়েল প্রতীকে ২৫৬ ভোট ও সমন্বিত শিক্ষা উন্নয়ন পরিষদের আতিউর রহমান কলস প্রতীকে ২৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
পরাজিত সদস্যদের মধ্যে আবুল হোসেন মিলন মোরগ প্রতীকে ২৩৭ ভোট, ওয়াহিদুল কাদির জোয়ার্দ্দার মাছ প্রতীকে ২২৩ ভোট, তানজিলুর রহমান চৌধুরী দেয়াল ঘড়ি প্রতীকে ২০৮ ভোট, জাহিদ হোসেন ফুটবল প্রতীকে ১৯৪ ভোট, রকিবুল ইসলাম চেয়ার প্রতীকে ১২৭ ভোট ও ছানোয়ার হোসেন বাইসাইকেল প্রতীকে ১৮ ভোট পান।
চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহি প্রদীপন বিদ্যাপীঠের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে গতকাল বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ৩টি বুথের মাধ্যমে ৬৫৫ জন অভিভাবকের ভোট গ্রহন শুরু হলেও মোট ভোট পোল হয় ৫৩০ টি। এর মধ্যে ২৫টি ভোট বাতিল হয় বলে জানান প্রিজাইটিং অফিসার সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিকাশ কুমার সাহা। তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহন ছিল স্বত:স্ফুর্ত এবং বিদ্যালয় আঙ্গিনা ছিল উৎসব মুখোর।
নির্বাচন কার্যক্রম তদারকি করার জন্য বিদ্যালয়ের সভাপতি চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। তিনি উপস্থিত ভোটার ও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী আপনারা অবাধ-নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচন চেয়েছিলেন। সেটি আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করার চেষ্টা করেছি। আশাকরি কোন সমস্যা হয়নি বা হবেনা। বিজয়ী প্রার্থীরা অবশ্যই বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার মান সহ সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন।
এছাড়া কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ডিডিএলজি আনজুমান আরা, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার কলিমউল্লাহ ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৃনাল কান্তি দে।