গোসলের পানিতে নিমপাতা মেশানোর উপকারিতা

10

স্বাস্থ্য ডেস্ক:
নিম পাতা প্রায় সবার কাছে পরিচিত। বিশেষ করে গ্রাম-বাংলায় নিম গাছ বেশি দেখা যায়। ভেষজ চিকিৎসায় নিম পাতার ব্যবহার বহুল। যদি বাড়িতে একটি নিমগাছ থাকে একজন ডাক্তারের চেয়ে সেটি বেশী কাজ করে। নিম (বৈজ্ঞানিক নাম:অতঅউওজঅঈঐঞঅ ওঘউওঈঅ) ঔষধি গাছ যার ডাল, পাতা, রস, ফুল, ফল, তেল, বাকল, শিকড় সবই কাজে লাগে। নিম একটি বহু বর্ষজীবি ও চির হরিত বৃক্ষ। আকৃতিতে ৪০-৫০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। এর কান্ড ২০-৩০ ইঞ্চি ব্যাস হতে পারে। ডালের চারদিকে ১০-১২ ইঞ্চি যৌগিক পত্র জন্মে। পাতা কাস্তের মত বাকানো থাকে এবং পাতায় ১০-১৭ টি করে কিনারা খাঁজকাটা পত্রক থাকে। পাতা ২.৫-৪ ইঞ্চি লম্বা হয়। ঋতু বদলের এই সময়ে এমনিতেই অসুখ-বিসুখ দেখা দিতে পারে, সেইসঙ্গে রয়েছে করোনা সংক্রমণের ভয়। গ্রীষ্মকাল শেষে বর্ষা শুরুর এই সময়ে সর্দি, জ্বর, কাশি, নানারকম অ্যালার্জি সাধারণ অসুখ। প্রতিবছর এই সময়ে এমনটা স্বাভাবিক হলেও করোনাভাইরাসের কারণে এখন এসবই ভয়ের কারণ। তবে সর্দি, জ্বর কিংবা কাশি হলেই আতঙ্কিত হবেন না। বরং মেনে চলতে হবে সাবধানতা।
এই সময়ে যথাসম্ভব সুস্থ থাকা জরুরি। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করতে পারে নিমপাতা। বহুকাল ধরে শরীর সুস্থ রাখতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করেছে এই নিমপাতা। চলুন জেনে নেওয়া যাক গোসলের সময় নিমপাতা ব্যবহার করা কেন জরুরি- ঋতুবদলের সময় নিমপাতা মেশানো পানিতে গোসল করা বহু বছরের পুরোনো দাওয়াই। ত্বকের সমস্যা, চুলের সমস্যা, অ্যালার্জির প্রকোপ রুখতে নিমের জবাব নেই। সেই সঙ্গে সর্দি, কাশি, জ্বর প্রতিরোধী ভূমিকা তো আছেই। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, জ্বরজারি, ঠান্ডা লাগা সারায়। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে সবচেয়ে জরুরি হলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। কিন্তু ভীষণ তেতো হওয়ায় অনেকে নিমপাতার রস খেতে পারেন না, তাই নিয়মিত নিমপাতা দেয়া পানিতে গোসল করা উচিত। বিশেষ করে এই গ্রীষ্ম থেকে বর্ষার সময়টাই নিমপাতা অপরিহার্য।