গোপালপুর গ্রামের খালটি প্রভাবশালীদের দখলে খাল সংস্কার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা

195

সরেজমিন ঘুরে মেছো কার্তিক/ রোকনুজ্জামান রোকন: দামুড়হুদা উপজেলার জুড়ানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের খালটি এখন প্রভাবশারীদের দখলে।  গ্রামের প্রায় এক হাজার পরিবারের পানি নিস্কাশনের খালটি এখন মৃত প্রায়। প্রায় ৩ কিলোমিটারজুড়ে অবস্থিত গ্রামের একমাত্র খালটি ভরাট করে কেউ যাতায়াতের রাস্তা তৈরী করেছে আবার কেউ খালের একাংশ ভরাট করে মুদি, চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন সুবিধা নিতে খালটি ব্যবহার করছে। যার ফলে দিনেদিনে খালটি ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এই খালটি ভরাট হওয়ার কারণে বর্ষা এলে বা বন্যা হলে পানি বন্দি হয়ে পড়ে গ্রামের অধিকাংশ পরিবার। গত সরকারের আমলে খালটি সঙস্কার করা হলেও বর্তমান সরকারের আমলে একবারও খনন করা হয়নি। খালটি গোপালপুর গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে দলকা লক্ষীপুরের বিলে যেয়ে মিশেছে। এছাড়া অন্যদিকটা মিশেছে গোপালপুরসহ আশপাশ গ্রামের মাঠে। এই খালের পানি দিয়ে গোপালপুরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের কৃষকেরা তাদের আবাদী জমিতে পানির অভাব পূরণ করে। কিন্তু খালটি অবৈধ দখলদারদের দখলের কারনে ভরাট হয়ে যেমন কৃষকদের আবাদী জমিতে পানি শুন্যতা করছে ঠিক তেমনী সামান্য বর্ষায় গ্রামের পথঘাট গুলো বন্যা সৃষ্টি হয়ে ভোগান্তিতে পড়ছে পথচারীসহ গ্রামবাসীরা। সরেজমিনে যেয়ে কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা বললে তারা এই প্রতিবেদককে বলেন, কয়েক যুগ পার হয়ে গেলো কিন্তু খালটি পূনরায় খনন করলো না কোন সরকার। তবে, লোক দেখানো সংস্কার করেছিলো বিএনপি সরকারে থাকা অবস্থায়। সেই শেষ আর সংস্কার হয়নি খালটি। আমরা গরীব কৃষক সরকারী পানিতে একটু আবাদ করবো তা আর হলো না। এছাড়া গ্রামের কয়েকজন খাল ভরাট করে যতটুকু পানি পায় তাও বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা এর প্রতিকার এবং খালের সংস্কারের জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এবিষয়ে একজন কৃষিবিদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, মাঠের সাথে খালের সংযোগ বন্ধ হওয়ার কারনে মাটির উর্বরতা শক্তি কমে যায়। যার ফলে কৃষকরা তাদের আশানুরুপ ফসল ঘরে তুলতে পারেন না। গ্রামের প্রায় হাজার খানেক পরিবারসহ এলাকাবাসী দখলদারমুক্ত করে খালটি সংস্কার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।