গোপনে আলমডাঙ্গা কেদারনগরে ৭ম শ্রেণীর ছাত্রীকে বিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতে কনের পিতার জরিমানা

211

child+marr

আলমডাঙ্গা অফিস: গোপনে ৭ম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ের বিয়ে পড়িয়ে বিপাকে পড়েছেন আলমডাঙ্গার কেদারনগর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক। গতকাল রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের আয়োজন করা হলে তাতে বাঁধা দেয় উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি)। বাল্য বিয়ে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতির মুচলেকায়। স্বাক্ষর ও কনের পিতাকে ১হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। জানা গেছে, উপজেলার কেদারনগর গ্রামের আব্দুর। রাজ্জাকের ৭ম শ্রেণিতে পড়ুয়া কন্যা রাফিজা খাতুনের বিয়ে ঠিক হয় কুমারী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের রশিদুল ইসলামের ছেলে মুন্না সাথে। প্রায় ১মাস পূর্বে গোপনে তাদের বিয়ে পড়িয়ে রাখা হয়েছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একই গ্রামের এক ব্যক্তি বলেছেন, অবৈধভাবে এ বিয়ের বিষয়টি গ্রামে খুব সম্মালনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে প্রায় ১৭/১৮দিন পূর্বে বর-কনে তার বাড়িতে বিয়ের জন্য নিয়ে আসে। তিনি কাজীকে সংবাদ দিয়ে আনেন। কিন্তুু এত কম বয়সের ছেলে মেয়ের বিয়ে পড়াতে কাজী রাজি হয়নি। গতকাল রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের দিন নির্ধারণ করা হয়। তিনি গ্রামের নেতাদের, মেম্বর, চেয়ারম্যানকে দাওয়াত দেয়। আয়োজনে সংবাদ পেয়ে হঠাৎ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম উপস্থিত হন। তিনি এ বাল্যবিয়ের অপচেষ্টার অভিযোগে কনের বাবা আব্দুর রাজ্জাককে ১হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং এ বাল্যবিয়ে ভেঙ্গে দেওয়াসহ আর বাল্যবিয়ে না দেওয়ার লিখিত প্রতিশ্রুতি আদায় করেন। এদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বাল্যবিয়ে বন্ধ করায় বিপাকে পড়েছে আব্দুর রাজ্জাক পরিবার।