গাংনীতে শহীদ রাষ্ট্রপতির মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় হামলা-ভাংচুর : বিএনপির দাবি হামলাকারীরা আওয়ামী লীগের ক্যাডার : অভিযোগ অস্বীকার আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের

310

গাংনী অফিস: মেহেরপুরের গাংনীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় হামলা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বিএনপির উপজেলা কার্যালয়ে ওই ঘটনা ঘটে। বিএনপির নেতাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কর্মীরা ওই হামলা করেছে। তবে তা অস্বীকার করেছে ছাত্রলীগের নেতারা। জানা যায়, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা বিএনপির সহসভাপতি আবদুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা চলছিল। বিএনপি নেতারা জানান, আলোচনা সভা শেষে দোয়া চলার সময় আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতা হামলা ও ভাঙচুর করেন। জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন জানান, আলোচনা সভা শেষে দোয়া ও মোনাজাত চলার সময় উপজেলা যুবলীগের সদস্য মহিবুল ইসলাম, পৌরসভার ৯ ন¤॥^র ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম, যুবলীগ নেতা মোতালেব, ফরিদ হোসেন, রফিকসহ বেশ কয়েকজন হামলায় অংশ নেন। জাভেদ মাসুদ হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, বর্তমান স্বৈরাচারী সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে প্রমাণ করেছে তারা বিরোধী দলকে দেখে ভয় পায়।’ বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে দলকে নিশ্চিহ্ন করা যাবে না বলেনও জানান তিনি। এ ঘটনায় চার বিএনপি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন বিএনপির এই নেতা। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আলোচনা সভায় জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান গাড্ডু, গাংনী উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে বিএনপি নেতাদের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেক। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনা যারা করেছে তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বা সমর্থক হতে পারে না। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এ ধরনের আচরণের স্থান নেই। আওয়ামী লীগ ওই ধরনের রাজনীতি করে না।’ গাংনী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেন জানান, বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ হামলায় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কেউ জড়িত নেই।