গাংনীতে প্রধান শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা, আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ

39

গাংনী অফিস:
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ভোলাডাঙ্গা পশ্চিমপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফি উদ্দীনকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা করা হয়। দিনের বেলায় বাড়িতে হামলা চালিয়ে কুপিয়ে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করা হয়। বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে, এঘটনার পরদিনই প্রধান শিক্ষকের মেয়ে শাকিলা খাতুন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা আমলে নিলেও শুরু থেকেই স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বাদী ও তার পরিবার।
বাদী পরিবারটি অভিযোগ তুলে বলেন, তাদের দাবি স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পের আইসি আইন-শৃংখলা রক্ষায় কঠোরতা না দেখিয়ে আসামীদের বহাল তবিয়তে রাখতে তিনি জোর ভূমিকা রাখছে। তাছাড়া একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিজের জমির বাঁশ কাটতে বাধা দেওয়ায় স্থানীয় লালন গংয়ের হামলায় আহত হলেও পুলিশ তাৎক্ষনিক কোন ব্যবস্থা নেয়নি। মামলার পরেও কয়েকদিন স্থানীয় ক্যাম্পের আইসিকে ফোন দিলে তিনিও নানা অজুহাতে ঘটনাস্থলে দেরি করে যায়। ফলে আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরলেও তাদের নানা অজুহাতে গ্রেফতার করছে না।
জানা গেছে, গত ২৫ তারিখ ঈদের দিনে গাংনী উপজেলার কোদালকাটি গ্রামের বায়েজ উদ্দীনের ছেলে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফি উদ্দীনের পেত্রিক সম্পতিতে থাকা বাঁশ বাগানের তিনটি বাঁশ কাটছিল মিজানুর রহমান লালনের লোকজন। এসময় বাঁশ কাটা নিয়ে লালন পক্ষ ও শফি পক্ষের মধ্যে বাক-বাতিন্ডা হয়। পরে লালন গং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শফির বাড়িতে হামলা চালিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। মৃত ভেবে তাকে ফেলে গেলে পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
এব্যাপারে স্থানীয় কুমারিডাঙ্গা পুলিশ ক্যাম্পের আইসি আব্দুল আলীম বলেন, আসামী সবাই পলাতক রয়েছে। তারা এলাকায় আসলেই গ্রেফতার হবে। তাছাড়া তাদের আটকে বিভিন্ন জায়গায় অভিযানও চলছে।