খতিবের দায়িত্ব ও কর্তব্য

14

ধর্ম ডেস্ক:
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তার নিরক্ষর সাধারণ বান্দাদের হেদায়েত, রহমত, নাজাত লাভের উপায় শিক্ষা দেয়ার জন্য যুগে যুগে নবী-রাসূল পাঠিয়েছেন। হজরত মুহম্মদ (সা.) সর্বশেষ নবী। তার পর আর কোনো নবী ও রাসূল আসবেন না। হজরত মুহম্মদ (সা.)-এর ইন্তেকালের পর হজরত আবুবকর সিদ্দিক (রা.), হজরত ওমর ফারুক (রা.), হজরত ওসমান গণী (রা.), হজরত আলী (রা.) হয়ে সময় সময়ে যুগের বুজুর্গ, ইমাম, আলেম, ফেকাহবিদ, মুফাসসিরসহ আরো অনেকে ধর্মের বিভিন্ন বিষয় মানুষের সামনে আলোচনা করেছেন। আমাদের বর্তমান সমাজের খতিবদের দায়িত্ব হলো, যে সব দুস্থ মুসল্লি কিংবা প্রতিবেশীর মেয়ে যৌতুকের জন্য বিয়ে হচ্ছে না, অর্থের অভাবে দুস্থ মুসল্লির চিকিৎসা হচ্ছে না, উচ্ছৃঙ্খল যুবকদের ভয়ে পাশের দুর্বল মুসল্লির মেয়ে স্কুলে যেতে পারছে না, গরিব ছাত্র-ছাত্রীরা অর্থাভাবে বই কিনতে পারছে না, জলাবদ্ধতার জন্য মুসল্লিরা মসজিদে আসতে পারছে না এসব বিষয়ে কোরান-হাদিসে কী নির্দেশনা রয়েছে সে সব বিষয়ে জুমার দিন খুতবাপূর্ব বয়ানে আলোচনা করা। নামাজ বেহেশতের চাবি এই বলে বয়ান করলেই একজন খতিবের দায়িত্ব শেষ হয় না। কোনো নামাজি ব্যক্তি যদি অপরাধ করে, অন্যায় করে, নামাজ সম্পর্কে উদাসীন থাকে, তাহলে ওই নামাজির ক্ষেত্রে কোরানে কী ঘোষণা রয়েছে তা মুসল্লিদের অবগত করতে হবে।