কোরআন পড়ি জীবন গড়ি

47

ধর্ম ডেস্ক: আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘রমজান সেই মাস, যে মাসে কোরআন নাজিল করা হয়েছে। যা সমগ্র মানব জাতির জন্য হেদায়াত, সুস্পষ্ট পথনির্দেশ এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী। তোমাদের মধ্যে যে এ মাসের সাক্ষাৎ পাবে, সে যেন রোজা রাখে।’ (সূরা বাকারা : ১৮৫) কোরআন! এমনই এক অলৌকিক কিতাব, যার নামকরণই বলে দেয় এটি কতটা গুরুত্বের দাবি রাখে। কোরআনের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে অধিক পঠিত। পৃথিবীতে দ্বিতীয় এমন কোনো গ্রন্থ নেই যা কোরআনের মতো এত বেশি পাঠ হয়। কোরআন এমন এক অপরিবর্তিত সংবিধান, যা আল্লাহ ও বান্দার মাঝে প্রেমময় বন্ধনকে সুদৃঢ় করার পাশাপাশি মানবজীবনের ছোট থেকে ছোট, বড় থেকে বড় সব সমস্যার সমাধান করে থাকে। এর শাশ্বত বাণীগুলো কেউ যদি সঠিকভাবে বুঝে পড়ে এবং এর আলোকে জীবন গড়ে, তা হলে তার জীবন ভরে ওঠে শান্তির সুবাতাসে। তাকে গ্রাস করতে পারে না ভ্রান্তির কালো ছায়া; কিন্তু আফসোসের কথা হল জাতির বৃহৎ অংশই তা বোঝার জ্ঞান রাখে না বা চেষ্টা করে না। শুধু এ কারণেই মুসলমান আজ পশ্চাৎপদ জাতিতে পরিণত হয়েছে। পড়ে থাকতে হচ্ছে পেছনের সারিতে। আমাদের মনে রাখতে হবে, কোরআন শুধু একটি ধর্মগ্রন্থই নয়, বরং এটি একটি মহাবিজ্ঞানও।