কোটচাঁদপুরে মুক্তিযোদ্ধা সাবেক এনএসআই কর্মকর্তার জমি দখলের চেষ্টা

201

ঝিনাইদহ অফিস: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার সলেমানপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ও এনএসআইর সাবেক কর্মকর্তা আনোয়ার হোসের চৌধুরীর পৈত্রিক জমি দখলের পাঁয়তারা চলছে। তার সৎ বোন আমেনা চৌধুরী প্রশাসনের সহায়তার ১৩.৯১ একর জমি সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে দখলের চেষ্টা করছেন। সাংবাদিকদের কাছে এক লিখিত অভিযোগে আনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, তার পিতার মৃত্যুর পর ২০০০ সালে গ্রামে এসে দেখেন ওয়ারেশ হিসেবে প্রাপ্য তার জমি সৎ বোন আমেনা চৌধুরী ও ভাই সাজ্জাদ হোসেন দখল করে খাচ্ছেন। তিনি জমির হিস্যা চাইলে তারা বলেন বাবা মৃত্যুর আগেই নাকি সব জমি তাদের নামে লিখে দিয়ে গেছেন। সৎ মা ও ভাই বোনদের মুখ থেকে এ কথা শুনে তিনি আবাক হন। কারণ মৃত্যুর আগেই তার পিতা তাকে ডেকে জমি বুঝে নিতে বলেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যশোরে কর্মরত থাকাবস্থায় আনোয়ার হোসের চৌধুরী বাড়ি এসে ওয়ারেশ সুত্রে প্রাপ্ত ১৩.৯১ একর জমি বুঝে নিয়ে সেখানে বৃক্ষ রোপন ও চাষাবাদ শুরু করেন। কিন্তু এতে তার সৎ মা ও ভাই বোনরা ক্ষিপ্ত হন। তারা জনৈক নাহিদ চৌধুরীকে দিয়ে প্রশাসন প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। পরে তিনি জানতে পারেন তার সৎ ভাই বোনরা দলিল জাল করেছেন। মুক্তিযোদ্ধা ও এনএসআইর সাবেক কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, তিনি জাল দলিলের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহের আদালতে মামলা করেন। এতে তার সৎ ভাই বোনরা পরাজিত হয় এবং দলিল জাল ও ভুয়া বলে আদালতে প্রমানিত হয়। এরপর তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে জজ বোর্টে আপীল করলে সেখানেও হেরে যায়। বর্তমান মামলাটি হাই কোর্টে বিচারাধীন আছে। এই অবস্থায় সৎ বোন আমেনা চৌধুরী প্রশাসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাহিদ চৌধুরীকে পাওয়ার অব এটর্নি করে আমার পৈত্রিক জমি লীজ প্রদানের চেষ্টা করছে। জমিতে গেলে নাহিদ চৌধুরীর ভাড়া করা সন্ত্রাসী কোটচাঁদপুরের সলেমানপুরের আলম ধোপার ছেলে মন্টু, ফজলে রাব্বীর ছেলে লিপু ও ছাত্তার মৌলভীর ছেলে আশরাফুল হুমকী দিচ্ছে। এ ছাড়া নাহিদ চৌধুরী পুলিশ প্রশাসনের লোক হওয়ায় কোটচাঁদপুর থানা পুলিশও এসে হুমকী ধমকী দিচ্ছে। তিনি সরকারের কাছে নাহিদ চৌধুরীসহ তার সন্ত্রাসী দলবলের হাত থেকে নিজের জীবন ও পৈত্রিক জমি রক্ষার আবেদন করেছেন।