কুড়ুলগাছির হরিশ্চন্দ্রপুরের কাশেমের অত্যাচারের শিকার অসহায় পরিবারটি মানুষের দ্বারে দ্বারে বাড়ায়নি কোন সহযোগিতার হাত

177

কুড়ুলগাছি প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের হরিশ্চন্দ্রপুরের ভূমিদস্যু আবুল কাশেমের হামলার শিকার অসহায় পরিবারটি সাহায্য সহযোগিতা পাওয়ার জন্য এখন সমাজের বিত্তবানদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। হতদরিদ্র পরিবারটি হামলার শিকার হয়ে ঘটনার দিন থেকে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। খোলা আকাশটাকে ঘরের ছাদ ভেবে কোন রকম দুইবেলা খেয়ে দিন যাপন করছে। হামলার শিকার হয়ে কোন প্রকার আইনি সহযোগিতা পায়নি হামলার শিকার ঝর্ণা খাতুন ও হাফিজুল ইসলাম বলে সাংবাদিকদের জানায়। উল্লেখ্য, দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামের মৃত আফসার ব্যাপারীর ছেলে সাব্দার আলি তার মাঠের একটি নিজস্ব জমি দীর্ঘদিন যাবত চাষ করে আসছেন। বছর কয়েক ধরে সে জমির পাশে ঘর বাড়ি করে গ্রামের কিছু মানুষ বসবাস করতে থাকলে সাব্দার আলির মেয়ে ঝর্ণা খাতুন ও তার স্বামী হাফিজুল অনেক কষ্টে ঋন করে বাড়ি ঘর তৈরী করে বাস করছিল। হঠাত করে কাশেম ও তার ছেলে মহাসিন,মতিন, কাশেমের ভাই ওয়াজ, তার ছেলেরা ও রহমের ছেলে খোকন ও  তার বাহিনী সাব্দারের জমি নিজের জমি দাবি করে ঝর্ণা খাতুন ও তার পরিবারের উপর হামলা চালিয়ে তার বাড়ি ঘর ভাংচুরসহ নগদ ৬০ হাজার টাকা লুট করে ঘরের আসবাবপত্র পানিতে ভাসিয়ে তছরূপ করে। ঘটনার দিন ঝর্ণা খাতুন বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় মামলা দায়ের করে। কিন্তু ঝর্ণা ও তার পরিবার কোন আইনি সহযোগিতা পাননি আজ পর্যন্ত। ঘটনার পর দিন ঝর্ণা ও স্বামী হাফিজুল গ্রামবাসীর সহযোগিতায় ঘর ঠিক করতে গেলে কাশেম ও তার বাহিনী বাধা দেয় এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। যার ফলে অসহায় হতদরিদ্র পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে রাতদিন যাপন করছে। এদিকে কাশেম ও তার বাহিনী প্রকাশ্যে ঘুরে বেরালেও কাউকেই আটক করেনি পুলিশ। এই অবস্থায় ঝর্ণা খাতুন ও তার পরিবার অসহায় হয়ে দিন যাপন করছে খোলা আকাশের নিচে। হত দরিদ্র পরিবারটির দাবি অবিলম্বে যেকোন ধরনের সাহায্য সহযোগিতার মাধ্যমে তাদের দিকে একটু সৃষ্টি রাখবেন সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিসহ জেলার প্রশাসন ও স্থানীয় প্রশাসন।