করোনা: ২৪০ কলঙ্ক, ১৪৬ সংঘর্ষে মৃত্যু ২৩

64

সমীকরণ প্রতিবেদন:
দেশের বিভিন্ন স্থানে করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে ২৪০টি নির্যাতন ও সামাজিক কলঙ্ক দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। দেশের বিভিন্ন জেলায় ২৭০টি বিক্ষোভ হয়েছে। এর মধ্যে ১৯ শতাংশ ত্রাণসামগ্রী ও কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সহায়তার দাবি এবং বেতন পরিশোধের দাবিতে ৩৪ শতাংশ, ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের বিরুদ্ধে ৪ শতাংশ এবং উন্নত চিকিৎসার দাবিতে ১৩ শতাংশ। করোনা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের জের ধরে ১৪৬টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে সারা দেশে। এতে ২৩ জন মারা গেছেন এবং ৬০৪ জন আহত হয়েছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ পিস অবজারভেটরি (বিপিও) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে। গতকাল শুক্রবার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিপিও। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের (সিজিএস) একটি প্রকল্প। মূলত, করোনা পরিস্থিতি নিয়ে দেশের ২৫টি গণমাধ্যমের সংবাদ বিশ্লেষণ করে গত ৮ মার্চ প্রতি সপ্তাহে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে সংস্থাটি। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আরও কয়েকটি বিষয়ে তথ্য তুলে ধরেছে বিপিও। তাদের প্রতিবেদন বলছে, করোনা নিয়ে গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ১ আগস্ট পর্যন্ত ৮৭ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা। এ ছাড়া ত্রাণ আত্মসাৎ, খাদ্যে ভেজাল ও করোনা বিষয়ে সরকারি নির্দেশনা লঙ্ঘনের মতো অনিয়ম ও অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জরিমানা করা হয়েছে ১২ হাজার ৫৪৩ জনকে। বিওপির গবেষকেরা বলছেন, দৈনিক সংবাদপত্র জাতীয় ও আঞ্চলিক, টেলিভিশন, অনলাইন মিলে ২৫টি গণমাধ্যম থেকে প্রতিদিন তথ্য নিচ্ছে বিপিও। এরপর এসব তথ্য থেকে মোটামুটি গ্রহণযোগ্যটা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। তবে মাঠপর্যায় থেকে এসব তথ্য যাচাই করা হয় না।