করোনায় বিশ্বকাপজয়ী দলের মাস্টারপ্ল্যানে ধাক্কা

68

খেলাধুলা ডেস্ক:
বৈশ্বিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম শিরোপা এনে দিয়েছিলেন আকবর আলীরা। গত ফেব্রæয়ারিতে ভারতকে হারিয়ে বিজয়ের ঝান্ডা উড়ায় যুব দল। যুবাদের শিরোপা জয় কোনো রূপকথা ছিল না, সোনার কাঠি, রূপার কাঠির পরশেও আসেনি। দীর্ঘ পরিকল্পনা, সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং নিখুঁত প্রক্রিয়ায় চার বছরে এসেছে এ সাফল্য। স্বপ্নের শিরোপা অর্জনে কারিগর ছিলেন বিসিবির পরিচালক ও গেম ডেভেলাপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন। তাঁর দীর্ঘ পরিকল্পনা ও একান্ত স্বদিচ্ছায় বিসিবির শোকেসে উঠেছে যুব বিশ্বকাপের শিরোপা। শিরোপা অর্জনের পরপরই বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ঘোষণা দিয়েছিলেন, বিশ্বকাপজয়ী অনূর্ধ্ব-১৯ দল নিয়ে নতুন একটি অনূর্ধ্ব-২১ ইউনিট গঠন করা হবে। তাদের দুই বছরের জন্য উন্নতর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ চলাকালিন তারা প্রত্যেকে ১ লাখ টাকা করে পাবে। পাশাপাশি দেশ ও দেশের বাইরে তারা আন্তর্জাতিক সিরিজ খেলবে।’
সেই ঘোষণার পরপরই খালেদ মাহমুদ সুজনের ওপর দায়িত্ব আসে পরিকল্পনা তৈরি করার। কাগজে-কলমে খালেদ মাহমুদ শুধু পরিকল্পনাই করেননি, দুই বছরের মাস্টারপ্ল্যান সাজান। কিন্তু মহামারি করোনার ধাক্কায় সেই মাস্টারপ্ল্যানে এসেছে বাধা।
শুক্রবার দুপুরে আক্ষেপ করে খালেদ মাহমুদ বললেন, ‘ওদের জন্য সম্ভাব্য সেরা পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। এমনভাবে ওদের জন্য পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছিল যে, দুই বছরে একটি দিনও যেন নষ্ট না হয়। ’
খালেদ মাহমুদ মাঠের মানুষ। কিভাবে খেলোয়াড়দের পরিচর্যা করার প্রয়োজন সেটা খুব ভালোভাবে বোঝেন। কোথায় উন্নতির দরকার সেটাও তাঁর জানা। সেজন্য যুবাদের পাঁচমাস দেশের বাইরে এবং পাঁচ মাস দেশের ভেতরে অনুশীলন করানোর পরিকল্পনা তাঁর।
নিজের তৈরি করা মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে খালেদ মাহমুদ বলেছেন, ‘ছেলেরা জাতীয় ক্রিকেট লিগ, বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ এবং বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ খেলবে নিয়মিত এবং তাদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হবে। ঘরের ভেতরে এ চারটি টুর্নামেন্টে খেললে ওদের পাঁচ থেকে ছয় মাস লাগবে।
‘বাকি পাঁচ মাস ওরা থাকবে দেশের বাইরে। দেশের বাইরে হবে ওদের অনুশীলন। আমাদের প্রথম পছন্দ ইংল্যান্ড। সেখানে তিন মাস রাখার পরিকল্পনা আছে। অস্ট্রেলিয়ায় একমাস এবং বাকিটা শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানে।’