এমন সিরিজ আগে দেখেনি ওয়ানডে ক্রিকেট

283

খেলাধুলা ডেস্ক:
রানের বন্যা বয়ে যাচ্ছে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজে। টানা তিন ম্যাচে দুই দলেরই স্কোর পেরিয়েছে তিনশ। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথমটা ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের ৩৭৩ রানের জবাবে পাকিস্তান হেরে যায় মাত্র ১২ রানে। পরের দুই ম্যাচেই ইংল্যান্ড জিতেছে তিনশর বেশি রান তাড়া করে। তৃতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের ৩৫৮ রানের জবাবে ৬ উইকেটে, চতুর্থ ম্যাচে পাকিস্তানের ৩৪০ রানের জবাবে ৩ উইকেটে জিতে ইংল্যান্ড নিশ্চিত করেছে সিরিজও। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজে ৩৪০ বা এর বেশি রানের স্কোর হয়েছে ৬টি- যা কোনো দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজে সর্বোচ্চ। ২০১৩ সালে ভারত-অস্ট্রেলিয়া সাত ম্যাচের সিরিজে ও ২০১৫ সালে ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড পাঁচ ম্যাচের সিরিজে এমন স্কোর ছিল ৫টি। ৬টি ৩৪০ বা এর বেশি রানের স্কোর কোনো সিরিজ কিংবা টুর্নামেন্টে তৃতীয় সর্বোচ্চ। ২০১৫ বিশ্বকাপে এমন স্কোর হয়েছিল ৯টি, ২০০৭ বিশ্বকাপে ৮টি। পাকিস্তান প্রথম দল হিসেবে ওয়ানডেতে টানা তিন ম্যাচে ৩৪০ বা এর বেশি রান করার কীর্তি গড়ল। শুক্রবার চার ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় দল হিসেবে পাকিস্তানের কীর্তি স্পর্শ করে ইংল্যান্ড। ৩৪০ বা এর বেশি রান করে টানা তিন ম্যাচ হারা প্রথম দলও পাকিস্তান। ট্রেন্ট ব্রিজে শুক্রবার পাকিস্তানের বাবর আজম তার নবম সেঞ্চুরি পেয়েছেন ৬১ ইনিংসে। ওয়ানডেতে তার চেয়ে কম ইনিংসে ৯টি সেঞ্চুরি পেয়েছেন শুধু দক্ষিণ আফ্রিকার হাশিম আমলা (৫২ ইনিংস) ও কুইন্টন ডি কক (৫৩ ইনিংস)। বাবরের সেঞ্চুরিটি ওয়ানডেতে পাকিস্তানের ২০০তম সেঞ্চুরি। এ বছর ওয়ানডেতে পাকিস্তানের ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি হয়েছে ৯টি, এবং সব ম্যাচেই তারা হেরেছে। এক পঞ্জিকাবর্ষে হেরে যাওয়া ম্যাচে এত সেঞ্চুরি নেই আর কোনো দলের। ২০১৫ সালে হেরে যাওয়া ম্যাচে জিম্বাবুয়ের ৭ সেঞ্চুরি ছিল আগের সর্বোচ্চ। ইংল্যান্ডের জেসন রয় কাল তিনশ বা এর বেশি রান তাড়ায় পেয়েছেন পঞ্চম সেঞ্চুরি। ওয়ানডেতে তিনশ বা এর বেশি রান তাড়ায় তার চেয়ে বেশি সেঞ্চুরি আছে শুধু বিরাট কোহলির (৯টি)। রয় ছাড়িয়ে গেছেন কুমার সাঙ্গাকারার চার সেঞ্চুরি।