এনজিওকর্মী মিতা দাসের আত্মহত্যা

84

নিজস্ব প্রতিবেদক:
দামুড়হুদায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে মিতা দাশ (৩০) নামের এক নারী আত্মহত্যা করেছেন। গতকাল সোমবার বেলা দুইটার দিকে দামুড়হুদা গুলশান পাড়ায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। নিহত মিতা যশোর জেলার চৌগাছা থানার ধুলুনি গ্রামের রবিন বিশ্বাসের মেয়ে ও সাতক্ষীরা ভেটখালি গ্রামের কিরোন মন্ডলের স্ত্রী। তিনি দামুড়হুদায় আরআরএফ এনজিওতে চাকরি করতেন।
জানা যায়, চাকরি সূত্রে স্বামী-স্ত্রী, এক শিশুকন্যসহ মিতা দাশের পরিবার দামুড়হুদার গুলশানপাড়ার আবুল কাশেমের বাড়িতে ভাড়া থাকত। স্বামীর চাকরি না থাকায় সংসার চালানোর খরচ বহন করতেন মিতা এবং বাসায় শিশুকন্যার দেখাশোনা করতেন স্বামী কিরন। এ নিয়ে মাঝেমধ্যেই তাঁদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার সৃষ্টি হতো। এরই জের ধরে গতকাল দুপুরে নিজ ঘরের দড়ি টানানো আংটার সঙ্গে ওড়না বেঁধে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন মিতা। এদিকে, স্ত্রীর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে কিরন ঘরে ঢুকে স্ত্রী মিতাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয় ব্যক্তিদের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেন। এ সময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মিতাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বলেন, দামুড়হুদায় গলায় ফাঁস দিয়ে এক নারীর আত্মহত্যার ঘটান ঘটেছে। এ বিষয়ে চুয়ডাঙ্গা সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। নিহতের লাশ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে এবং মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে। তিনি আরও জানান, ঘটনাটি দামুড়হুদা থানার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে প্রথমিক অনুসন্ধানের জন্য জানানো হয়েছে।