উৎসবের আমেজে উদ্বোধন হলো আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় কাউন্সিল সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে আজ

312

1477158090সমীকরণ ডেস্ক: উৎসবের আমেজে উদ্বোধন হলো আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় কাউন্সিল। লাখো নেতাকর্মীর পদচারণায় গতকাল দিনভর মুখর ছিল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। উচ্ছ্বাস-আনন্দের কাউন্সিল আজ শেষ হচ্ছে নেতৃত্ব ঘোষণা আর সম্মেলন ঘোষণার মধ্য দিয়ে। তাই দেশবাসীর দৃষ্টি আজ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে। শেখ হাসিনাই আবারও দলের সভাপতি হচ্ছেন এটি একেবারেই নিশ্চিত। তবে কে হচ্ছেন দলের পরবর্তী সাধারণ সম্পাদক। কেন্দ্রীয়  নেতৃত্বে আর কী কী পরিবর্তন আসছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা, প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজীব ওয়াজেদ, রেহানাপুত্র রাদওয়াদ মুজিব সিদ্দিক ববি এ তিনজনকে নিয়ে কৌতূহল রয়েছে নেতাকর্মীদের মাঝে। সম্মেলনের প্রথম দিনের দ্বিতীয় অধিবেশনে দলের তৃণমূল নেতারা জয়কে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখার দাবি তুলেছেন। এদিকে একটি জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশবাসীর উদ্দেশে কী আহ্বান আর ঘোষণা দিচ্ছে আওয়ামী লীগ, দলের পরবর্তী পরিকল্পনাই বা কী- এমন সব প্রশ্নের জবাব মিলবে আজ। কাউন্সিল অধিবেশনে নির্বাচিত হবে দেশের মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের নয়া নেতৃত্ব। একই সঙ্গে দলের গঠনতন্ত্রের সংশোধন অনুমোদন ও সম্মেলনের ঘোষণাপত্রও অনুমোদন হবে এই কাউন্সিল অধিবেশনে। সম্মেলনের সমাপনীতে দলের নেতাকর্মীদের বিশেষ বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। গতকাল তিনি নিজেই জানিয়েছেন, তার লিখিত বক্তব্য পৌঁছে দেয়া হবে সব কাউন্সিলরদের হাতে হাতে। উদ্বোধনী দিনে দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, দুই দফা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বপালনকালে দলে কোনো ইজম তৈরি হয়নি। শেখ হাসিনা যত দিন বাঁচবেন তত দিন তিনিই আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়ে যাবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। গতকাল সকাল ১০টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বেলুন, পায়রা ও জাতীয় এবং দলীয় পতাকা উত্তোলন করে সম্মেলন ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। পরে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও সম্মেলন সংগীত পরিবেশনের পর সম্মেলনে আগত বিদেশি অতিথিরা তাদের বক্তব্য দেন। প্রথম দিনের প্রথম অধিবেশনে সমাপনী বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মধ্যাহ্ন বিরতির পর দ্বিতীয় অধিবেশনে তৃণমূল নেতারা বক্তব্য দেন। এসময় তরুণ সম্ভাবনা সজীব ওয়াজেদ জয়কে দলীয় নেতাকর্মী ও কাউন্সিলরদের সামনে পরিচয় করিয়ে দেন দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। এসময় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। সবাই তাকে হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানান। সম্মেলনে ১০টি দেশের ৫৫ জন অতিথি অংশ নেন। তাদের মধ্যে ১৫ জন সম্মেলনে বক্তব্য দেন। সকাল ১০টা ৫ মিনিটে যখন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী মঞ্চে আসেন তখন করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো উদ্যান। শুরুতে পতাকা মঞ্চে উঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন দলীয় সভাপতি। পরে সভা পরিচালনার দায়িত্ব দেন প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ও উপপ্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিলকে। তাদের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন অভ্যর্থনা উপকমিটির আহ্বায়ক ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। এরপর একে একে বিদেশি অতিথিরা বক্তব্য দেন। তারা বাংলাদেশের উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের ভূমিকার ভূয়শী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে প্রতিটি দেশের রাজনৈতিক প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের নানা দিক তুলে ধরেন। দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এদিকে সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন আজ উদ্যান সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে রুদ্ধদ্বার কাউন্সিল অধিবেশন। এতে দলের পরবর্তী নেতৃত্ব নির্বাচন সম্পন্ন হবে। সকাল ৯টায় শুরু হবে এ অধিবেশন। এদিকে সম্মেলনে বিদেশি অতিথিদের পাশাপাশি ক্ষমতাসীন জোটের বাইরে বিকল্প ধারার প্রেসিডেন্ট ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, জাসদ (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব, সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেন। তবে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বিএনপির কোনো প্রতিনিধি সম্মেলনে অংশ নেননি। সম্মেলনকে ঘিরে গত কয়েক দিন থেকেই রাজধানীতে বিরাজ করছে সাজসাজ রব। গতকাল উদ্বোধনী দিনে সকাল থেকে সারা দেশের কাউন্সিলর, ডেলিগেট ও নেতাকর্মীরা আসতে থাকেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। তাদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। পুরো আয়োজন ঘিরে ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা। রাজধানীর কয়েকটি সড়কে যানবাহন চলাচলও নিয়ন্ত্রিত ছিল। সম্মেলন ঘিরে মৎস্য ভবন থেকে শাহবাগ পর্যন্ত সড়ক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পরিণত হয় আগ্রহী নেতাকর্মীদের মিলনমেলায়। যারা সম্মেলন স্থলে যেতে পারেননি তারা সড়কে অবস্থান করেন কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন।
আমি আওয়ামী লীগের সন্তান- আশরাফ: এর আগে সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট উত্থাপন করেন দলের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তার বক্তব্যে দল ও দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার প্রতি নিজের আনুগত্যের কথা জানান। সাধারণ সম্পাদকের লিখিত বক্তব্য নির্দিষ্ট থাকলেও তা সবাইকে পড়ে নেয়ার অনুরোধ জানিয়ে আবেগময় ভাষায় কিছু কথা বলেন দুইবারের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ। তিনি বলেন, প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আওয়ামী লীগের আমি সন্তান। আওয়ামী লীগের ঘরেই আমার জন্ম। আওয়ামী লীগ যখন ব্যথা পায়, আমারও কিন্তু হৃদয়ে ব্যথা লাগে। আওয়ামী লীগের একটা কর্মী যদি ব্যথা পায় সেই ব্যথা আমিও পাই। আশরাফ বলেন, আমি দুই দুই বার সম্পাদক ছিলাম। শেখ হাসিনার উপদেশে দলকে পরিচালনা করেছি। আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো ভাঙন ধরেনি, কোনো ইজম তৈরি হয়নি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমি এবং আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতা-কর্মী শেখ হাসিনার পক্ষে কাজ করেছি। আজকে আমাদের দল যে কোনো সময়ের থেকে শক্তিশালী। দলীয় কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে সম্মেলনে আশরাফ বলেন, আওয়ামী লীগ শুধু একটা রাজনৈতিক দল নয়। হাজারো শহীদের রক্ত, জাতির পিতার রক্ত, জাতীয় চার নেতার রক্ত, হাজার হাজার নেতাকর্মীর আত্মত্যাগ। আওয়ামী লীগ শুধু একটা রাজনৈতিক দল নয়, এটা অনুভূতি। এই হাজারো বন্ধুর রক্ত, চার নেতার রক্ত, ভাষা আন্দোলনের রক্ত, সেই অনুভূতি। এই অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে যার নাম আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার জন্য এদেশে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে এরপরেও কিন্তু আওয়ামী লীগকে নিঃশেষ করতে পারেনি। কোনো দিনই পারবে না, কোনো দিনই পারবে না। জননেত্রী যত দিন আছেন উনিই নেতৃত্ব দেবেন। কিন্তু এই জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি না থাকেন, আওয়ামী লীগ কিন্তু মরবে না। আওয়ামী লীগ অজেয় রাজনৈতিক সংগঠন। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি পৃথিবীর কোনো শক্তি নেই এই আওয়ামী লীগকে স্তব্ধ করে দিতে পারে। তিনি বলেন, ব্যক্তি ও দলের চেয়ে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য নিয়ে দলীয় সকল স্তরের কর্মকান্ড পরিচালিত করতে হবে। দলীয় ঐক্য ও সংহতিকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। দ্বন্দ্ব-সংঘাত পরিহার করে দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে আশরাফ বলেন, কারও ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডে দল যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। দলে অশুভ শক্তির চর, সন্ত্রাসী, মাদকসেবী, অসৎ ও বিতর্কিত ব্যক্তির অনুপ্রবেশ যেন না ঘটে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন আশরাফ। বিরোধী দলের ‘অপপ্রচারের’ জবাব দেয়া, জঙ্গি গোষ্ঠীর অপতৎপরতা নিয়ে জনগণকে সচেতন করা, ১৪ দল ও মহাজোটের ঐক্যকে তৃণমূলে সমপ্রসারণ এবং আগামী নির্বাচনে জয়ের জন্য জনগণকে সংগঠিত করার কাজে আত্মনিয়োগ করতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান আশরাফ। তিনি বলেন, কাউন্সিলে হাজার হাজার কাউন্সিলর ও ডেলিগেটের অংশগ্রহণই প্রমাণ করে আওয়ামী লীগ জনগণের দল। আজকে এমন একটি দিনে কাউন্সিল হচ্ছে যখন দেশ নিয়ে আবার নতুন করে শুরু হয়েছে ষড়যন্ত্র। উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠীর মাধ্যমে জনমনে ভীতির সঞ্চার করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে এই অশুভ শক্তি। চক্রান্ত চলছে একটি অনির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতায় আনার, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার। কাউন্সিল আয়োজনে কোনো ক্রটি-বিচ্যুতি থাকলে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সে জন?্য দুঃখও প্রকাশ করে আশরাফ বলেন, আগামীতে বাংলাদেশ কোন দিকে যাবে সেজন্য এই কাউন্সিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আসুন আমরা নিজেদের প্রশ্ন করি- এদেশে গণতন্ত্র থাকবে না কি অনির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করবে? এদেশে কি আবার উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠীর বিচরণ ভূমি হবে না কি উদার গণতান্ত্রিক দেশ হবে? এদেশে কি আবার বিচারহীনতার সংস্কৃতি চালু হবে না কি আইনের শাসন চলবে? এদেশ কি সিরিয়া, ইরাক, আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন যুদ্ধবিধস্ত দেশে পরিণত হবে না কি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে এগিয়ে যাবে? সরকারের সাফল্য ও অর্জন জনগণের সামনে তুলে ধরার তাগাদা দিয়ে আশরাফ বলেন, মনে রাখতে হবে প্রতিটি নেতা-কর্মীই দলের একেকজন প্রচারক।
জয়কে নেতৃত্বে আসার আহ্বান নেতাদের: প্রধানমন্ত্রী তনয় ও তার তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসার আহ্বান জানালেন দলটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামসহ জেলা ও বিদেশের শাখা কমিটির শীর্ষ নেতারা। আওয়ামী লীগের ২০তম কাউন্সিলের প্রথম দিনের দ্বিতীয় অধিবেশনে বক্তব্যকালে এ আহ্বান জানান তারা। বক্তব্যকালে নেতারা মঞ্চে উপস্থিত দলের সভাপতি শেখ হাসিনার উদ্দেশে বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশের অহঙ্কার তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার। একই সঙ্গে তরুণ জয় আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতা। তাই একটি সম্মানজনক পদ দিয়ে তাকে নেতৃত্বে আনুন। প্রথম অধিবেশন শেষে বিকাল সাড়ে তিনটায় দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতে বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ। তিনি বলেন, জয় আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতা। জয়কে বাংলাদেশের নেতৃত্বে আসতে হবে। বাংলাদেশের উন্নয়নে তারা কাজ করবে। এরাই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী শেখ হাসিনার উদ্দেশে বলেন, সিলেটের উন্নয়নে আপনি অনেক কাজ করেছেন। এ জন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। তিনি বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয়কে আমরা দলের নেতৃত্বে দেখতে চাই। বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন বলেন, জয়কে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে নিয়ে এসে তাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হোক। চট্টগ্রাম জেলা (উত্তর) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম বলেন, জয় আপনার (শেখ হাসিনা) উপদেষ্টা হিসেবে আছেন। আমরা তাকে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে দেখতে চাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনি দেশেই শুধু নন, দেশের বাইরেও আমাদের মাথা উঁচু করেছেন। আমাদের অনেক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। আপনার নেতৃত্বে আমরা সংগঠন (আওয়ামী লীগ) করবো। আপনার ওপর দেশের সকল নেতাকর্মীর আস্থা রয়েছে। খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হারুনুর রশিদ বলেন, খালেদা জিয়ার ছেলে মানি লন্ডারিং করে। আর জয় বিদেশে একজন পাইওনিয়ার। জয় আমাদের অহঙ্কার। তিনি বলেন, নেত্রীকে  অনুরোধ করবো, জয়কে একটি সম্মানজনক পদ দিন। এটি আমাদের দাবি। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজিদুর রহমান ফারুক বলেন, একজন নতুন ও সম্ভাবনাময় নেতা জয়। বহির্বিশ্বে লক্ষ কোটি তরুণ প্রজন্মের হাতে আমরা জয়কে তুলে দিতে চাই। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিভিন্ন অবদানের জন্য সজীব ওয়াজেদ জয়কে অভিনন্দন জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, জয়কে এই অধিবেশনেই যেন একটি পদ দেয়া হয়। এটি আমরা চাই।