উত্তর প্রদেশে বিদ্রোহের মুখে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী!

26

বিশ্ব প্রতিবেদন:
তবে কি উত্তর প্রদেশে দলীয় বিদ্রোহের মুখে পড়লেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র! সেখানকার একটি দলীয় গুরুত্বপূর্ণ সভাকে কেন্দ্র করে এমন প্রশ্ন উঠে এসেছে। বুধবার তিনি উত্তর প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান কার্যালয়ে সাবেক এমপি, এমএলএ, এমএলসি, ২০১৭ সালের বিধানসভা এবং ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থীদের একটি সভায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এমন আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ৩৫০ জনকে। তার মধ্যে উপস্থিত হয়েছিলেন মাত্র ৪০ জন। অর্থাৎ তার ডাকে সাড়া দেননি বেশির ভাগ নেতা। ফলে প্রিয়াঙ্কা বিদ্রোহের মুখে পড়েছেন বলে ভারতীয় মিডিয়ায় জোরালো আলোচনা হচ্ছে। অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া লিখেছে, উত্তর প্রদেশে কংগ্রেসকে পুনর্গঠনের টার্গেট রয়েছে কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কার। কিন্তু তিনি সেখানে পুরনোদের পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছেন। উত্তর প্রদেশ কংগ্রেস থেকে যেসব পুরাতন, ত্যাগী নেতাকর্মী বাদ পড়েছেন তারা একত্রিত হয়েছেন। কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর কাছে তারা এ ইস্যুটি তুলে ধরেছেন। অগণতান্ত্রিক ও স্বেচ্ছাচারের মাধ্যমে সেখানে নতুন নেতৃত্বকে বাছাই করা হয়েছে বলে তারা গত দুটি মিটিংয়ে মত তুলে ধরেছেন। বলা হয়েছে, দলের প্রতি অনুগত ও ত্যাগী নেতাদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে নতুন নেতৃত্বকে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সিরাজ মেহন্দি’র বাসভবনে এমন প্রথম বৈঠক হয়েছে। অক্টোবরে সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন সিরাজ মেহন্দি। তিনি বলেছেন, দলের যে নতুন কমিটি করা হয়েছে তাতে একজনও শিয়া’কে রাখা হয় নি। এরপর ১৪ই নভেম্বর বৈঠক হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী জওয়াহারলাল নেহরুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের নামে। সেই বৈঠকে উপস্থিত একজন বলেছেন, বৈঠকে এক নেতাতো প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর দিকে সরাসরি আঙ্গুল তুলেছেন। প্রিয়াঙ্কাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন, কংগ্রেস কোনো প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি নয়। তৃতীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে সাবেক এমএলএ রঞ্জন সিং সোলাঙ্কির নয়ডার বাসভবনে। সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করার জন্য একটি প্রতিনিধি দল পাঠানো হবে। সেই প্রতিনিধি দল বাছাই করার কথা এই বৈঠকে। একজন নেতা বলেছেন, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী দলে তরুণ মুখ নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেছেন। এতে তার উল্টো ফল হবে। দলে ভারসাম্য রক্ষা করা উচিত।