ইচ্ছে মতো পৌরকর কমানোয় খুশি পৌরবাসী

147

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার বর্ধিত কর পুনঃনির্ধারণ শুনানি করছেন মেয়র
বিশেষ প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা ভিমরুল্লা এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম গত অর্থবছরে পৌরকর দিয়েছেন ৩০০ টাকা। তবে পৌরসভা থেকে সম্প্রতি নোটিশ পাঠিয়ে বলেছে, ২০১৯-২০ সালে তাঁকে কর দিতে হবে ৯৯০ টাকা। সে হিসাবে কর বেড়েছে প্রায় ২৭ গুণ। এই নোটিশে বিস্মিত চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের এই বাসিন্দা। শুধু শফিকুল নন, পৌরকর বাড়ানোর এমন নোটিশ পেয়েছেন শহরের অনেকে। পৌরবাসী বলেন, করের এই হার অস্বাভাবিক। এতে অনেকেই চিন্তিত ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এমন পরিস্থিতিতে পৌর কর্তৃপক্ষ ও মেয়রের বিশেষ উদ্যোগে বর্ধিত করের জটিলতা থেকে মুক্তি পেতে শুরু করেছেন নাগরিকরা।
গতকাল শনিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের শুনানি করা হয় আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে। কর আদায়কর্মীদের সঙ্গে স্ব শরীরে উপস্থিত থেকে শুনানি করেন পৌর মেয়র ওবায়দুর রহমান চৌধুরী জিপু। ফলে বর্ধিত কর নিয়ে আপত্তি ও কমানোর আবেদনকারীদের উপস্থিতিতে ইচ্ছে মতো কমানো হয় বর্ধিত পৌরকর এবং তা পুনঃনির্ধারণ করা হয়। এরআগে নাগরিকদের স্থাবর-অস্থাবরের অনুসন্ধান নথি হাতে নিয়ে কর বাড়ানোর কারণদর্শান মেয়র। তারপর নাগরিকদের আয় ও সম্পদের উপর ভিত্তি করে তাদের সাধ্যমতো পৌরকর নির্ধারণ করে দেন মেয়র। পৌর কর্তৃপক্ষের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ নাগরিক ও ব্যবসায়ীরা। একই সঙ্গে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘আমাদের কাছে যখন প্রথম নোটিশ যায় তখন ভাবছিলাম এত টাকা কীভাবে দেবো। কিন্তু পরবর্তীতে আবেদন করলে আমাদের শুনানিতে ডেকে আশানুরূপ ভাবে বর্ধিত কর কমিয়ে নতুন কর নির্ধারণ করে দেয়া হয়।’ মেয়র জানান, এ ভাবে শুধু ১নং ওয়ার্ড নয়, পৌরসভার সকল ওয়ার্ডে গণশুনানির মাধ্যমে বর্ধিত কর সমস্যার সমাধান করা হবে।