ইংল্যান্ডের আন্তর্জাতিক এয়ারব্রিজ লিস্টে নাম নেই পর্তুগালের

21

বিশ্ব ডেস্ক:
কোভিড-১৯ মহামারির কারণে লকডাউনে ছিলো রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের দেশ ইংল্যান্ড। করোনাভাইরাসে ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক লোকের সংক্রমণ এবং প্রাণহানী হয়েছে ইংল্যান্ডে। এমনকি বিশ্বের মধ্যে আমেরিকা এবং ব্রাজিলের পরেই তাদের অবস্থান। এখনো থেমে নেই প্রাণহানী। গত ২৪ ঘণ্টায় ইংল্যান্ডের প্রাণহানী হয়েছে প্রায় ৮৯ জনের এবং সংক্রমণ ৫৭৬ জনের।
ঠিক উল্টো চিত্র পর্তুগালে। সংক্রমণ এবং মূত্যুর হার তুলনামূলক অনেক কম হলেও ইংল্যান্ডের লিস্টে জায়গা হয়নি পর্তুগালের। শুধু মাত্র পর্তুগালের অধীনে থাকা দুইটি দ্বীপ আজোরস এবং মাদেইরা নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়েছে। আগামী ১০ জুলাই থেকে বিশ্বের প্রায় ৫৯টি দেশ থেকে যাত্রীরা ইংল্যান্ডে প্রবেশ পারবে যাদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন লাগবে না। আবার সেই সব ৫৯টি দেশে ইংল্যান্ডের ট্যুরিস্টরা নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারবে যাদের ফেরত আসার পরও কোয়ারেন্টাইন লাগবে না। তালিকায় আছে ইউরোপের দেশ স্পেন, ইতালী, জার্মানি এবং ফ্রান্স গ্রীসসহ প্রায় সবকটি দেশ। অথচ ইতালি এবং স্পেনে করোনাভাইরাস মারাত্মক ভাবে আঘাত হেনেছিলো। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য, ইংল্যান্ডের সেই লিস্টে নেই পর্তুগালের নাম। অথচ গ্রীষ্মকালে সারা বিশ্ব থেকে যতো ট্যুরিস্ট পর্তুগালে আসে তার মোট বিশভাগ আসে ইংল্যান্ড থেকে । শুধু তাই নয় অন্যান্য দেশের ট্যুরিস্টদের তুলনায় ব্রিটিশ ট্যুরিস্টরা বিনোদনে খরচ করে বেশি।
বেশ কিছুদিন থেকেই এই বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সাথে পর্তুগীজ সরকারের কথাবার্তা চলছিলো এবং মনে করা হয়েছিলো হয়তো ব্রিটিশ সরকার সেই দেশের নাগরিকের জন্য পর্তুগালকে নিরাপদ মনে করবে। কিন্তু না শেষ পর্যন্ত তারা নিরাপদ মনে করেনি, ঠাঁই হয়নি তাদের নাম। এক বিবৃতি তারা বলেছে পর্তুগালের বর্তমান পরিস্তিতি এখনো অপরিস্কার। এই থেকে বোঝা যায় পর্তুগীজ সরকার ব্রিটিশ সরকারকে পর্তুগালের বর্তমান পরিস্থিতি এবং করোনা মোকাবিলায় গৃহিত পদক্ষেপ ভালোভাবে বোঝতে পারেন নি। যদিও ব্রিটিশ সরকার বলছে লিস্টটি প্রতি দুইসপ্তাহে আপডেট করা হবে।