আন্দুলবাড়ীয়ার ৫৯তম বার্ষিকী ইছালে ছওয়াব আজ

26

প্রতিবেদক, আন্দুলবাড়ীয়া:
চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আন্দুলবাড়ীয়ার পীরে কামেল হযরত খাজা পারেশ সাহেবের রওজা-কবরস্থান ও কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ৫৯তম বার্ষিকী ইছালে ছওয়াব অনুষ্ঠিত হবে আজ বৃহস্পতিবার আসরের নামাজের পর। এ ইছালে ছওয়াব উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।
ইছালে ছওয়াব বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজি মো. আলী আজগার টগর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জীবননগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজি মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ। প্রধান বক্তা হিসেবে তাফসির পেশ করবেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ, জোড়া নাজমুল উলূম কামিল (আরবি) মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক ও বগুড়ার বাংলাদেশ জাতীয় মুফাসসির পরিষদের সভাপতি মাওলানা মো. আব্দুস সালাম। দ্বিতীয় বক্তা হিসেবে তাফসির পেশ করবেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ, মুফাসসির কোরআন ও জীবননগরের বাংলাদেশ জাতীয় মুফাসসির পরিষদের সভাপতি হযরত মাওলানা মো. আব্দুস সাত্তার। সভাপতিত্ব করবেন ২ নম্বর আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ শফিকুল ইসলাম মোক্তার। অনুষ্ঠানে আরও তাফসির-ওয়াজ পেশ করবেন স্থানীয় ওলামায়ে-কেরামগণ। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে উপস্থাপনা করবেন চুয়াডাঙ্গার তালহা হোমিও মেডিসিন কোং-এর স্বত্বাধিকারী ও হোমিওপ্যাথি বিশেষজ্ঞ ডা. মোহা. রফিকুল ইসলাম, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আন্দুলবাড়ীয়া বাজার কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মহিদুল ইসলাম মধু এবং আন্দুলবাড়ীয়া বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মেসার্স চঞ্চল ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মোল্লা মো. মোতাহারুল ইসলাম চঞ্চল। ইছালে ছওয়াব উপলক্ষে খাজা পারেশ সাহেবের রওজা-কবরস্থান কমিটির সভাপতি ও আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ শফিকুল ইসলাম মোক্তার, সাধারণ সম্পাদক শেখ মইদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ এস এম আশরাফুজ্জামান টিপু এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সব ধর্মপ্রাণ মুসল্লিসহ সর্ব স্তরের মানুষের উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। অনুষ্ঠানে মহিলাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা না থাকায় ডিস লাইনের মাধ্যমে টেলিভিশনের পর্দায় অনুষ্ঠানটি দেখানো হবে। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত মানুষের মধ্যে তবারক বিতরণ করা হবে। এ ইছালে ছওয়াব উপলক্ষে আন্দুলবাড়ীয়ার প্রতিটি পরিবারে ঈদের ন্যায় উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে।