অসহায় মানুষের পাশে যুবলীগ নেতা জুবায়ের

43

সমীকরণ প্রতিবেদন:
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন শ্রমজীবী মানুষ। জীবন-জীবিকা নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম শঙ্কা। এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খাঁন নিখিলের পক্ষ থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে খাদ্য ও ইফতার-সামগ্রী বিতরণ করেন যুবলীগের নেতা যুবায়ের আহমেদ। ১৭৩ পরিবারের মধ্যে খাদ্য, ইফতারসামগ্রী এবং ৫ শ প্যাকেট ইফতার, কিছু দিন ফ্রি সবজি বাজার, ১ শ ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়। বিতরণকৃত খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে প্রত্যেক পরিবারকে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, মুড়ি, আটা, সবজি, তেল, সাবান, লবন, চিনি, ছোলা ও বেসন দেওয়া হয়। ইফতার প্যাকেজ ফ্রি সবজি বাজারের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের সবজি, আলু, বেগুন, পটল, পেঁয়াজ, ভেন্ডি, কলা প্রভৃতি এবং ঈদ উপহারের মধ্যে সেমাই, চিনি, ময়দা, পোলাও চাল, পোশাক, নুডুলস প্রভৃতি বিতরণ করা হয়।
সাবেক ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের জুবায়ের আহমেদ বলেন, ‘করোনা মহামারি জন্য সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে খাদ্য ও ইফতারসামগ্রী বিতরণ করা হয়। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার মানুষকে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করেছে। আপনারা জানেন, আমাদের দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। লকডাউনে পুরো অর্থনীতি অচল হয়ে পড়ার কারণে বিশ্বের অনেক দেশ লকডাউন শিথিল করার কথা ভাবতে শুরু করেছে। অর্থনীতি বাঁচাতে শিথিল হচ্ছে লকডাউন। সীমিত আকারে প্রায় সব কিছুই খুলে দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশেও। তবে আমাদের দায়িত্ব সরকারের বিধি-নিষেধ মেনে চলা। অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষজন খাদ্য সংকটে দিন কাটাচ্ছে। তাদের কষ্ট কিছুটা লাঘবের জন্যই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।’
দেশরত্ন শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সততাই শক্তি, মানবতাই মুক্তি’। তাই জাতির এমন ক্রান্তিলগ্নে মানবতার উপস্থিতি সকল নেতা কর্মীদের মাঝে থাকা উচিত বলে মনে করেন তিনি। যুবলীগের প্রতিটি কর্মী দেশের দূর্যোগকালীন মুহর্তে প্রতিবারের ন্যায় এবারও এগিয়ে এসেছে, ভবিষ্যতেও থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন জুবায়ের।