অন্তঃসত্তা গৃহবধূকে আটকে রেখে গণধর্ষণ!

65

প্রতিবেদক, কালীগঞ্জ:
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের পাঁচ মাসের অন্তঃসত্তা এক গৃহবধূকে (১৯) যশোরের নওয়াপাড়ার একটি বাড়িতে চারদিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই গৃহবধূ নিজে বাদী হয়ে ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে চারজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার বিবরণে ও আইনজীবি আকিদুল ইসলামের কাছ থেকে জানা যায়, ধর্ষিত গৃহবধূর স্বামী চুয়াডাঙ্গা থেকে যশোর সড়কে চলাচলকারী শাপলা পরিবহনের হেলপার। তার বাড়ি যশোর সদর উপজেলার মথুরাপুর গ্রামে। আর গৃহবধূর বাড়ি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার তেতুলবাড়িয়া গ্রামে। দুই বছর আগে তাদের পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। বর্তমানে ওই গৃহবধূ পাঁচ মাসের অন্তঃসত্তা। চলতি মাসের ১০ তারিখে তার স্বামী ফোনে জানায় দুপুরে বারোবাজার বাসস্টান্ডে দাঁড়ালে তাকে মথুরাপুর শ্বশুরালয়ে নামিয়ে দেবে। স্বামীর কথা অনুযায়ী ঘটনার দিন দুপুরে বারোবাজার বাসস্টান্ডে আসে ওই নারী। সে সময় সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা ওই নারীর বাবার বাড়ির পাশ্ববর্তী তেতুলবাড়িয়া গ্রামের তিন যুবক মথুরাপুর পৌঁছে দেবে বলে ওই সড়কে চলাচলকারী গড়াই পরিবহনে তুলে যশোরের নওয়াপাড়ায় একটি বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে। এরপর পিয়াস, তরু, রাকিব ও তরিকুল তাঁকে চারদিন আটকে রেখে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। মামলার প্রধান আসামী পিয়াস শাপলা পরিবহনের সুপারভাইজার। গতকাল সকালে তাঁরা অন্তঃসত্তা ওই গৃহবধুকে নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে কাউকে কিছু না বলার সর্তে ছেড়ে দেয়। ছাড়া পেয়ে ওই গৃহবধূ নিজে বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে পিয়াস, তরু, রাকিব ও তরিকুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করে।