অনলাইনে আবেদনকারিদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়েছে আলমডাঙ্গায় দু’শতাধিকের সাক্ষাত সম্পন্ন

283

আলমডাঙ্গা অফিস: আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিসদ হলরুমে সকাল ১০ হতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই -বাছাই কার্যক্রম চলেছে। গতকাল মোট ২শত অনলাইনে দরখাস্ত কৃত বাদপড়া মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষাতকার গ্রহন করা হয়েছে। জানা যায়, আলমাডাঙ্গা উপজেলায় অনলাইনে প্রায় একহাজার দরখাস্ত জমা পড়ে, যা জামুকা কতৃক আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহি অফিসার আজাদ জাহান বরাবর প্রেরন করা হয়েছিল। উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছে মন্ত্রনালয়ের নির্দেশ মোতাবেক। সভাপতি হিসিবে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুন। কিন্তু তিনি শারিরিকভাবে অসুস্থ থাকায় উনার প্রতিনিধী হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডঃ আব্দুর রশিদ মোলা উপস্থিত ছিলেন, কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা নির্বাহি অফিসার আজাদ জাহান, মন্ত্রনালয়ের প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক, জামুকার প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ শেখ নুর মোহাম্মদ জকু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাশির উদ্দিন ও আলমডাঙ্গা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউর রহমান জোয়ার্দার। মোট ৭ সদস্যের কমিটি নিরেপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও চুয়াডাঙ্গা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার পর্যবেক্ষক হিসেবে সাক্ষাতকার বোর্ডে উপস্থিত ছিলেন। সরকারের নিয়ম মোতাবেক যে সকল দরখাস্তকারি সাক্ষাতকার বোর্ডে উপস্থিত হয়েছেন, তাদের ৩জন লাল মুক্তিবার্তা/ভারতীয় তালিকা ভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার সাক্ষি উপস্থিত করে সাক্ষাতকার দেবেন। সে মোতাবেক গতকাল আলমডাঙ্গা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটি সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ২শত জন দরখাস্ত কারির সাক্ষাত গ্রহন করেছেন। আগামি ১৫/১৭ ও ২১ তারিখে পরবর্তী সাক্ষাতকার গ্রহন করা হবে বলে যাচাই বাছাই কমিটি জানিয়েছেন। শেষ দিন কে-কে টিকবেন তাদের নামের তালিকা টাঙ্গিয়ে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। যাচাই- বাছাই কাজে সহায়তা করেন উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার আবু তালেব। সকাল থেকে দরখাস্ত কারিদের ভীড় লক্ষ করার মতছিল। তবে সুষ্টভাবে যাচাই-বাছাই কাজ প্রথমদিন সম্পন্ন হয়েছে।