অধিক মূল্যে চাল বিক্রি, দুই প্রতিষ্ঠানে জরিমানা

28

চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন স্থানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে দুই প্রতিষ্ঠানে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিনব্যাপী চুয়াডাঙ্গার বড় বাজার, গোকুলখালী এবং ভিমরুল্লা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। জেলা পুলিশ ও ক্যাব চুয়াডাঙ্গার সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গার সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ। অভিযানকালে বড় বাজার মেসার্স সুগন্ধা ট্রেডার্সকে অধিক মূল্যে চাল বিক্রয়ের জন্য ২০ হাজার টাকা এবং নিউ হাসান ফ্লাওয়ার মিলকে অবৈধভাবে চাল মজুদ ও আটার বস্তায় মোড়কীকরণবিধি অমান্য করায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গার সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ জানান, পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি চাল ৫০ পয়সা লাভে বিক্রয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা। একজন অসাধু ব্যবসায়ী কেজিতে লাভ করছেন তিন টাকা। খুচরা পর্যায়ে বিক্রেতারা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছেন। চালবাজি করার জন্য অনেক ব্যবসায়ী মিল থেকে চালান ও রশিদ ঠিকমতো সংগ্রহ করছেন না। আবার দাম বাড়ানোর জন্য মিল মালিকরাও ঠিকমতো চালের মূল্য লিখে মেমো সরবরাহ করছেন না। আর এভাবেই মিল থেকে পাইকারি, পাইকারি থেকে ফরিয়া, ফরিয়া থেকে খুচরা ব্যবসায়ী পর্যায়ে কেজিতে দাম বেড়ে যাচ্ছে ৮-১০ টাকা। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সুযোগ নিচ্ছেন সবাই। এ কারণে দিনভর অভিযান পরিচালনা করে দুই প্রতিষ্ঠানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ‘আমাদের দেশে যদি ইতালির মতো মহামারি শুরু হয়, তাহলে নিম্ন আয়ের মানুষদের হবে সব থেকে বেশি কষ্ট। দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের বাজারকে অস্থিতিশীল না করে এই সংকটময় মুহূর্তে সবাইকে মানবিক হতে হবে।’ অভিযানকালে এনএসআইয়ের সহকারী পরিচালক লুতফুল কবির কনক উপস্থিত ছিলেন।